ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিহত হওয়ার ৭৩ দিন পর, বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে নিহত ওবায়দুল হোসেনের (৪০) মরদেহ ফিরে পেয়েছে পরিবার। নিহত হওয়ার ৭৩ দিন পর বিজিবি-বিএসএফের তৎপরতায় ভারতীয় পুলিশ ওই যুবকের মরদেহ মহেশপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে মরদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

শনিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার মুন্সী ইমদাদুর রহমানের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওবায়দুল হোসেন মহেশপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের হানেফ আলীর ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে ভারতের ৫৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, সীমান্তের মেইন পিলার ৪৮-এর নিকট ভারতের মধুপুর এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে আছে। পরে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

পরদিন ২৮ এপ্রিল সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা হানেফ আলী যাদবপুর বিওপিতে এসে জানান, তার ছেলে ওবাইদুল হোসেন গত ২৬ এপ্রিল রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ। সীমান্তের অপর পাশে যে মরদেহ পাওয়া গেছে, সেটি তার ছেলের বলে দাবি করে তিনি বিজিবির কাছে লিখিতভাবে মরদেহ ফেরতের আবেদন জানান।

ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে একাধিকবার চিঠিপত্র চালাচালি ও যোগাযোগ চালিয়ে যায়। টানা দুই মাসেরও বেশি সময় তৎপরতার পর গত ৯ জুলাই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তরে সম্মত হয়। বিএসএফ মরদেহ শনাক্তের জন্য ছবি ও পরিচয়পত্র চেয়ে বিজিবিকে জানায়।

১২ জুলাই সকাল ১০টায় ভারতীয় বিএসএফ চূড়ান্তভাবে মরদেহ হস্তান্তরের সময় ও স্থান বিজিবিকে জানায়। পরে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে সীমান্ত পিলার ৪৭/৪-এস-এর কাছে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে মরদেহটি শূন্যরেখায় নিয়ে আসে। সেখানে ওবাইদুলের বাবা ও সৎমা তার পোশাক দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন।

এরপর বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি মহেশপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিজিবির দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে ওবায়দুলের মরদেহ ফেরৎ আনা সম্ভব হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

নিহত হওয়ার ৭৩ দিন পর, বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ।

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে নিহত ওবায়দুল হোসেনের (৪০) মরদেহ ফিরে পেয়েছে পরিবার। নিহত হওয়ার ৭৩ দিন পর বিজিবি-বিএসএফের তৎপরতায় ভারতীয় পুলিশ ওই যুবকের মরদেহ মহেশপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে মরদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

শনিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার মুন্সী ইমদাদুর রহমানের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওবায়দুল হোসেন মহেশপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের হানেফ আলীর ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে ভারতের ৫৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, সীমান্তের মেইন পিলার ৪৮-এর নিকট ভারতের মধুপুর এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে আছে। পরে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

পরদিন ২৮ এপ্রিল সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা হানেফ আলী যাদবপুর বিওপিতে এসে জানান, তার ছেলে ওবাইদুল হোসেন গত ২৬ এপ্রিল রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ। সীমান্তের অপর পাশে যে মরদেহ পাওয়া গেছে, সেটি তার ছেলের বলে দাবি করে তিনি বিজিবির কাছে লিখিতভাবে মরদেহ ফেরতের আবেদন জানান।

ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে একাধিকবার চিঠিপত্র চালাচালি ও যোগাযোগ চালিয়ে যায়। টানা দুই মাসেরও বেশি সময় তৎপরতার পর গত ৯ জুলাই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তরে সম্মত হয়। বিএসএফ মরদেহ শনাক্তের জন্য ছবি ও পরিচয়পত্র চেয়ে বিজিবিকে জানায়।

১২ জুলাই সকাল ১০টায় ভারতীয় বিএসএফ চূড়ান্তভাবে মরদেহ হস্তান্তরের সময় ও স্থান বিজিবিকে জানায়। পরে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে সীমান্ত পিলার ৪৭/৪-এস-এর কাছে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে মরদেহটি শূন্যরেখায় নিয়ে আসে। সেখানে ওবাইদুলের বাবা ও সৎমা তার পোশাক দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন।

এরপর বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি মহেশপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিজিবির দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে ওবায়দুলের মরদেহ ফেরৎ আনা সম্ভব হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।