ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর, উপদেষ্টা পরিষদে আইন পাস

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

প্রেমের সম্পর্ক থাকার সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ক্ষেত্রে আলাদা সাজা নির্ধারণ করেছে সরকার। এখন থেকে এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাজা হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড। 

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এমন বিধান রেখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী পাস হয়েছে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ নিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

প্রেস সচিব বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়েছে। এটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার মধ্যেই থাকবে। তবে একই আইনের মধ্যে আলাদাভাবে এটিকে রাখা হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদে নেয়া অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, সরকারি কাজের দরপত্রে দুনীতি কমাতে ও স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে সরকারি কাজ শতভাগ টেন্ডারে হবে। এতদিন ৬০ শতাংশ কাজ টেন্ডারে হতো।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর, উপদেষ্টা পরিষদে আইন পাস

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

প্রেমের সম্পর্ক থাকার সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ক্ষেত্রে আলাদা সাজা নির্ধারণ করেছে সরকার। এখন থেকে এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাজা হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড। 

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এমন বিধান রেখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী পাস হয়েছে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ নিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

প্রেস সচিব বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়েছে। এটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার মধ্যেই থাকবে। তবে একই আইনের মধ্যে আলাদাভাবে এটিকে রাখা হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদে নেয়া অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, সরকারি কাজের দরপত্রে দুনীতি কমাতে ও স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে সরকারি কাজ শতভাগ টেন্ডারে হবে। এতদিন ৬০ শতাংশ কাজ টেন্ডারে হতো।