ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও ১৫০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি গাজায় কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি। তবে তাতেও থেমে নেই ইসরাইলি আগ্রাসন।  উপত্যকাটিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। এদের মধ্যে ৪০ জনই নিহত হন গত দু সপ্তাহে। 

গাজার মিডিয়া অফিস শনিবার (১৬ মার্চ) বিষয়টির ঘোষণা দেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

এক বিবৃতিতে মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, আমরা লক্ষ্য করেছি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্থলভাগে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে দখলদারদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশেষ করে কাঠ সংগ্রহকারী বা বাড়িঘর দেখাশোনাকারীদের গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় ইসরাইলি বিমান হামলার পর এই বিবৃতি দিল মিডিয়া অফিস। সেখানে সাংবাদিক এবং মানবিক সহায়তা কর্মীসহ নয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এই হামলাকে ‘জঘন্য গণহত্যা’ হিসেবে নিন্দা জানিয়ে মিডিয়া অফিস ইসরাইলের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বৃদ্ধির অভিযোগ তুলেছে।  অবশ্য, ইসরাইলি নেতৃত্বের নির্দেশে সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে।

মিডিয়া অফিসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)- কে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মাধ্যমে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

মিশর, কাতার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও, এসব হামলা ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি ধারাবাহিক অংশ।

ছয় সপ্তাহ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ মার্চের ১ তারিখে শেষ হয়। তবে ইসরাইল দ্বিতীয় ধাপে এগিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।  নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির আলোচনা স্থগিত করেছেন এবং চুক্তির অধীনে সামরিক এবং মানবিক প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে প্রাথমিক বিনিময় সময়কাল বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

হামাস যুদ্ধবিরতির প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের ইসরাইলের সম্মতি কার্যকর করতে এবং আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোর থেকে ইসরাইলি হামলায় গাজায ৪৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও ১৫০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি গাজায় কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি। তবে তাতেও থেমে নেই ইসরাইলি আগ্রাসন।  উপত্যকাটিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। এদের মধ্যে ৪০ জনই নিহত হন গত দু সপ্তাহে। 

গাজার মিডিয়া অফিস শনিবার (১৬ মার্চ) বিষয়টির ঘোষণা দেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

এক বিবৃতিতে মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, আমরা লক্ষ্য করেছি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্থলভাগে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে দখলদারদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশেষ করে কাঠ সংগ্রহকারী বা বাড়িঘর দেখাশোনাকারীদের গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় ইসরাইলি বিমান হামলার পর এই বিবৃতি দিল মিডিয়া অফিস। সেখানে সাংবাদিক এবং মানবিক সহায়তা কর্মীসহ নয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এই হামলাকে ‘জঘন্য গণহত্যা’ হিসেবে নিন্দা জানিয়ে মিডিয়া অফিস ইসরাইলের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বৃদ্ধির অভিযোগ তুলেছে।  অবশ্য, ইসরাইলি নেতৃত্বের নির্দেশে সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে।

মিডিয়া অফিসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)- কে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মাধ্যমে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

মিশর, কাতার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও, এসব হামলা ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি ধারাবাহিক অংশ।

ছয় সপ্তাহ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ মার্চের ১ তারিখে শেষ হয়। তবে ইসরাইল দ্বিতীয় ধাপে এগিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।  নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির আলোচনা স্থগিত করেছেন এবং চুক্তির অধীনে সামরিক এবং মানবিক প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে প্রাথমিক বিনিময় সময়কাল বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

হামাস যুদ্ধবিরতির প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের ইসরাইলের সম্মতি কার্যকর করতে এবং আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোর থেকে ইসরাইলি হামলায় গাজায ৪৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ।