ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে হত্যা মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি নিহতের পরিবারকে

  • সোহেল কান্তি নাথ
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮৫৫ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে আলমগীর হত্যাকান্ডের মামলা তুলে নিতে গুম ও প্রাণ নাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করে নিহত আলমগীর এর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই মোহাম্মদ দস্তগীর সিকদার মানিক বলেন, আমার বড় ভাই মোহাম্মদ আলমগীর শিকদারকে ২০১৯ সালে সরই ইউনিয়নের পুলাং পাড়ার নিজ মুরগী ফার্ম থেকে বাড়ীতে আসার পথে সেলিম উদ্দিনসহ তার সহযোগিরা পরিকল্পিতভাবে ধারালো দা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

ঘটনার পর লামা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সায়মন ত্রিপুরা ও বীর বাহাদুর ত্রিপুরাকে আটক করে এবং আটককৃতরা সেলিম উদ্দিনসহ ৬ জন মিলে আমার ভাইকে হত্যা করেছে বলে আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে স্বীকারোক্তিও দেয়।

শুধু তাই নয়, পরবর্তিতে সাবের আহমদ নামে আরেকজনকেও আটক করে পুলিশ, সেও একই স্বীকারোক্তি দেয়। তিনি আরও বলেন, সেলিম উদ্দিন ও জয়নাল আবেদীন ভেটু ও তার ভাই জমির উদ্দীন আলমগীর হত্যাকান্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকারী এবং নিজেরাও হত্যার সাথে জড়িত মর্মে বিজ্ঞ আদালতে সায়মন ত্রিপুরা, বীর বাহাদুর ত্রিপুরা ও সাবের আহমদ ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

কিন্তু আমার ভাইয়ের হত্যা মামলার ৬ বছর অতিবাহিত হলেও প্রধান আসামীদের এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আসামীরা দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে আসছে।

দ্রুত মামলা তুলে না নিলে আমাদেরকে গুম করে হত্যা করার হুমকি দেয় আসামীরা। বর্তমানে আমরা প্রাণনাশের হুমকিতে আছে।

মানিক হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সেলিম উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন ভেটু ও জমির উদ্দীন আলমগীরকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী জানান নিহতের স্বজনরা।

সংবাদ সম্মেলনের নিহত মোহাম্মদ দস্তগীর সিকদার মানিক এর পিতা, ছেলে, ছোট ভাইসহ বান্দরবানে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

বান্দরবানে হত্যা মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি নিহতের পরিবারকে

আপডেট সময় : ০৫:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে আলমগীর হত্যাকান্ডের মামলা তুলে নিতে গুম ও প্রাণ নাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করে নিহত আলমগীর এর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই মোহাম্মদ দস্তগীর সিকদার মানিক বলেন, আমার বড় ভাই মোহাম্মদ আলমগীর শিকদারকে ২০১৯ সালে সরই ইউনিয়নের পুলাং পাড়ার নিজ মুরগী ফার্ম থেকে বাড়ীতে আসার পথে সেলিম উদ্দিনসহ তার সহযোগিরা পরিকল্পিতভাবে ধারালো দা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

ঘটনার পর লামা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সায়মন ত্রিপুরা ও বীর বাহাদুর ত্রিপুরাকে আটক করে এবং আটককৃতরা সেলিম উদ্দিনসহ ৬ জন মিলে আমার ভাইকে হত্যা করেছে বলে আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে স্বীকারোক্তিও দেয়।

শুধু তাই নয়, পরবর্তিতে সাবের আহমদ নামে আরেকজনকেও আটক করে পুলিশ, সেও একই স্বীকারোক্তি দেয়। তিনি আরও বলেন, সেলিম উদ্দিন ও জয়নাল আবেদীন ভেটু ও তার ভাই জমির উদ্দীন আলমগীর হত্যাকান্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকারী এবং নিজেরাও হত্যার সাথে জড়িত মর্মে বিজ্ঞ আদালতে সায়মন ত্রিপুরা, বীর বাহাদুর ত্রিপুরা ও সাবের আহমদ ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

কিন্তু আমার ভাইয়ের হত্যা মামলার ৬ বছর অতিবাহিত হলেও প্রধান আসামীদের এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আসামীরা দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে আসছে।

দ্রুত মামলা তুলে না নিলে আমাদেরকে গুম করে হত্যা করার হুমকি দেয় আসামীরা। বর্তমানে আমরা প্রাণনাশের হুমকিতে আছে।

মানিক হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সেলিম উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন ভেটু ও জমির উদ্দীন আলমগীরকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী জানান নিহতের স্বজনরা।

সংবাদ সম্মেলনের নিহত মোহাম্মদ দস্তগীর সিকদার মানিক এর পিতা, ছেলে, ছোট ভাইসহ বান্দরবানে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।