ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করে পারমাণবিক যুদ্ধের সতর্কবার্তা কিমের

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন উত্তেজনা ও উসকানি বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করেছেন। কোরিয়া উপদ্বীপ কখনও এতটা পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার পিয়ংইয়ংয়ে একটি সামরিক প্রদর্শনীতে দেওয়া বক্তব্যে কিম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের আলোচনাগুলোতে কেবল তাদের বৈরি ও আগ্রাসী উত্তর কোরিয়া নীতিই প্রকাশ পেয়েছে।

“কোরীয় উপদ্বীপে বিবাদমান পক্ষগুলো কখনও এতটা তীব্র ও বিপজ্জনক সংঘাতের মুখোমুখি হয়নি, যা ধ্বংসাত্মক থার্মোনিউক্লিয়ার যুদ্ধে রূপ নিতে পারে”, বলেন তিনি।

“আমরা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে যতদূর যেতে পারি ততদূরে গেছি। কিন্তু সেসব আলোচনা থেকে কেবল এটাই দেখা গেছে যে, উত্তর কোরিয়ার প্রতি তাদের আগ্রাসী ও বৈরি নীতি কখনওই বদলাতে পারে না।”

ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডোন্সর আমলে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সিঙ্গাপুর, হ্যানয় ও কোরীয় সীমান্তে কিম ও ট্রাম্প তিনটি বৈঠক করেছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান এবং উত্তর কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবির মধ্যে ফাঁক থাকার কারণে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এবার ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সির দ্বিতীয় মেয়াদের আগে কিম তার দেশের পারমাণবিক শক্তি তুলে ধরতে পারেন এবং পাশাপাশি কূটনীতির দ্বারও খোলা রাখতে পারেন বলে মনে করেন সিউলের ন্যাশনাল ইউনিফিকেশন বিষয়ক কোরিয়া ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ফেলো হং মিন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করে পারমাণবিক যুদ্ধের সতর্কবার্তা কিমের

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন উত্তেজনা ও উসকানি বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করেছেন। কোরিয়া উপদ্বীপ কখনও এতটা পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার পিয়ংইয়ংয়ে একটি সামরিক প্রদর্শনীতে দেওয়া বক্তব্যে কিম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের আলোচনাগুলোতে কেবল তাদের বৈরি ও আগ্রাসী উত্তর কোরিয়া নীতিই প্রকাশ পেয়েছে।

“কোরীয় উপদ্বীপে বিবাদমান পক্ষগুলো কখনও এতটা তীব্র ও বিপজ্জনক সংঘাতের মুখোমুখি হয়নি, যা ধ্বংসাত্মক থার্মোনিউক্লিয়ার যুদ্ধে রূপ নিতে পারে”, বলেন তিনি।

“আমরা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে যতদূর যেতে পারি ততদূরে গেছি। কিন্তু সেসব আলোচনা থেকে কেবল এটাই দেখা গেছে যে, উত্তর কোরিয়ার প্রতি তাদের আগ্রাসী ও বৈরি নীতি কখনওই বদলাতে পারে না।”

ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডোন্সর আমলে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সিঙ্গাপুর, হ্যানয় ও কোরীয় সীমান্তে কিম ও ট্রাম্প তিনটি বৈঠক করেছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান এবং উত্তর কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবির মধ্যে ফাঁক থাকার কারণে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এবার ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সির দ্বিতীয় মেয়াদের আগে কিম তার দেশের পারমাণবিক শক্তি তুলে ধরতে পারেন এবং পাশাপাশি কূটনীতির দ্বারও খোলা রাখতে পারেন বলে মনে করেন সিউলের ন্যাশনাল ইউনিফিকেশন বিষয়ক কোরিয়া ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ফেলো হং মিন।