ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভ্রমণে নারীদের নামাজ নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ইসলামের দৃষ্টিতে চার পুরুষের ধারণা থানায় ডেকে টাকা ছিনতাই ও মারধর, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা সব অবৈধ ক্লিনিক ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চালু করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভালোবেসে বিয়ে, ১৪ বছর পর ঘরছাড়া ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় নেতানিয়াহু—কীভাবে? শ্রমিকদের আন্দোলনে ভর করে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা: আমজনতার তারেক বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন

থানায় ডেকে টাকা ছিনতাই ও মারধর, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে

যশোরের ঝিকরগাছা থানার এএসআই আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও মারধরের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যশোরের ঝিকরগাছা আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ঝিকরগাছা পৌরসভার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা মোজাফফার সরদারের ছেলে আসাদুজ্জামান।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহমেদ ইমন অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম) নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৩টার দিকে এএসআই আশরাফুল আলম অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আসাদুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালান। এ সময় তার সেজো ভাই রেজাউল করিমকে বাড়িতে না পেয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে তার ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ২৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রেজাউল করিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে আসাদুজ্জামানের কাছে একটি কল আসে। ওই ফোনকলের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তার ভাইকে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পরে ভাইয়ের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ফেরত আনতে তিনি থানায় যান।

 

মামলার আরজিতে বলা হয়, থানায় পৌঁছানোর পর ডিউটি অফিসারের কক্ষের সামনে থেকে এএসআই আশরাফুল আলম তাকে হাজতখানার সামনে নিয়ে যান। সেখানে তার পকেট থেকে জোরপূর্বক আড়াই হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছাড়িয়ে নিতে আরও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার মানিব্যাগ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় মানিব্যাগটি নিচে পড়ে গেলে আসাদুজ্জামান সেটি তুলতে যান। তখন এএসআই আশরাফুল আলম তাকে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং থানা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী মামলার আরজিতে দাবি করেছেন, থানার ভেতরে ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনাটি সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, এএসআই আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই।

যশোর   পুলিশ   দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্রমণে নারীদের নামাজ নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী?

থানায় ডেকে টাকা ছিনতাই ও মারধর, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৮:০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা থানার এএসআই আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও মারধরের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যশোরের ঝিকরগাছা আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ঝিকরগাছা পৌরসভার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা মোজাফফার সরদারের ছেলে আসাদুজ্জামান।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহমেদ ইমন অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম) নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৩টার দিকে এএসআই আশরাফুল আলম অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আসাদুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালান। এ সময় তার সেজো ভাই রেজাউল করিমকে বাড়িতে না পেয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে তার ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ২৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রেজাউল করিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে আসাদুজ্জামানের কাছে একটি কল আসে। ওই ফোনকলের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তার ভাইকে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পরে ভাইয়ের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ফেরত আনতে তিনি থানায় যান।

 

মামলার আরজিতে বলা হয়, থানায় পৌঁছানোর পর ডিউটি অফিসারের কক্ষের সামনে থেকে এএসআই আশরাফুল আলম তাকে হাজতখানার সামনে নিয়ে যান। সেখানে তার পকেট থেকে জোরপূর্বক আড়াই হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছাড়িয়ে নিতে আরও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার মানিব্যাগ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় মানিব্যাগটি নিচে পড়ে গেলে আসাদুজ্জামান সেটি তুলতে যান। তখন এএসআই আশরাফুল আলম তাকে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং থানা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী মামলার আরজিতে দাবি করেছেন, থানার ভেতরে ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনাটি সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, এএসআই আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই।

যশোর   পুলিশ   দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ