ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের জন্য সুকুক বরাদ্দের হার পুনর্নির্ধারণ

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

বিভিন্ন শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য শরিয়াভিত্তিক সুকুক বন্ডের বরাদ্দের হার পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির জন্য সুকুকের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগে এ খাতের জন্য বরাদ্দ ছিল ৮০ শতাংশ। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা ও উইন্ডোর জন্য বরাদ্দ ৩০ শতাংশ, যা আগে ছিল ৫ শতাংশ। এর ফলে ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রচলিত ব্যাংকের শাখা ও উইন্ডোগুলো সুকুকে উল্লেখযোগ্য অংশে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে।

এছাড়া কনভেনশনাল ব্যাংক, আর্থিক ও বীমা কোম্পানি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান, ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, চ্যারিটি ফান্ড এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্যও সুকুকের ১০ শতাংশ বরাদ্দের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ব্যক্তি আমানতকারীদের জন্য ১০ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য সুকুকের নির্দিষ্ট অংশ সংরক্ষিত থাকবে।

যেভাবে বরাদ্দ হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সুকুক বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত অনুপাত অনুসরণের পদ্ধতিও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মোট বিডের ভিত্তিতে নির্ধারিত শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাদের দায়বদ্ধতা বা অংশগ্রহণের অনুপাত অনুযায়ী সুকুক বরাদ্দ দিতে হবে। কোনো শ্রেণিতে নির্ধারিত অনুপাতের তুলনায় কম বিড জমা পড়লে ওই শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাদের বিডের পরিমাণ অনুযায়ী সুকুক বরাদ্দ করা যাবে। এরপর কোনো শ্রেণিতে বরাদ্দের পরিমাণ অব্যবহৃত থাকলে অবশিষ্ট সুকুক অন্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দের সুযোগ থাকবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো শ্রেণিতে নির্ধারিত অনুপাতে যতটা বিড পড়ার কথা ছিল, তার চেয়ে কম বিড হলে সেই শ্রেণিতে বিডের সমপরিমাণ সুকুক বরাদ্দ দেওয়া হবে। অবশিষ্ট সুকুক অন্য শ্রেণির যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বণ্টন করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক  বীমা

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের জন্য সুকুক বরাদ্দের হার পুনর্নির্ধারণ

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বিভিন্ন শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য শরিয়াভিত্তিক সুকুক বন্ডের বরাদ্দের হার পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির জন্য সুকুকের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগে এ খাতের জন্য বরাদ্দ ছিল ৮০ শতাংশ। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা ও উইন্ডোর জন্য বরাদ্দ ৩০ শতাংশ, যা আগে ছিল ৫ শতাংশ। এর ফলে ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রচলিত ব্যাংকের শাখা ও উইন্ডোগুলো সুকুকে উল্লেখযোগ্য অংশে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে।

এছাড়া কনভেনশনাল ব্যাংক, আর্থিক ও বীমা কোম্পানি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান, ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, চ্যারিটি ফান্ড এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্যও সুকুকের ১০ শতাংশ বরাদ্দের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ব্যক্তি আমানতকারীদের জন্য ১০ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য সুকুকের নির্দিষ্ট অংশ সংরক্ষিত থাকবে।

যেভাবে বরাদ্দ হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সুকুক বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত অনুপাত অনুসরণের পদ্ধতিও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মোট বিডের ভিত্তিতে নির্ধারিত শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাদের দায়বদ্ধতা বা অংশগ্রহণের অনুপাত অনুযায়ী সুকুক বরাদ্দ দিতে হবে। কোনো শ্রেণিতে নির্ধারিত অনুপাতের তুলনায় কম বিড জমা পড়লে ওই শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাদের বিডের পরিমাণ অনুযায়ী সুকুক বরাদ্দ করা যাবে। এরপর কোনো শ্রেণিতে বরাদ্দের পরিমাণ অব্যবহৃত থাকলে অবশিষ্ট সুকুক অন্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দের সুযোগ থাকবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো শ্রেণিতে নির্ধারিত অনুপাতে যতটা বিড পড়ার কথা ছিল, তার চেয়ে কম বিড হলে সেই শ্রেণিতে বিডের সমপরিমাণ সুকুক বরাদ্দ দেওয়া হবে। অবশিষ্ট সুকুক অন্য শ্রেণির যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বণ্টন করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক  বীমা