ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে বার্সেলোনা থেকে নৌবহরের যাত্রা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ / ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে রবিবার (৩১ আগস্ট) বার্সেলোনা থেকে গাজার উদ্দেশ্যে একটি নৌবহর যাত্রা শুরু করার কথা ছিল। যেখানে সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গসহ আরও কর্মীরা ছিলেন।

নৌবহরের আয়োজকরা জানিয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্য গাজার ‘অবৈধ অবরোধ’ ভেঙে মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া। যাত্রার সুনির্দিষ্ট সময় ও জাহাজের সংখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বহরটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গাজা উপত্যকায় পৌঁছাবে।

থানবার্গ ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৪৪টি দেশে একযোগে বিক্ষোভ ও সংহতি কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছেন। এই নৌবহরে বেশ কয়েকটি দেশের ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা, সমাজকর্মী এবং বার্সেলোনার প্রাক্তন মেয়র আদা কোলাও এর মত জনসাধারণের ব্যক্তিত্বরা থাকবেন।

ইসরায়েল এর আগে দুইবার জুন ও জুলাই মাসে গাজার উদ্দেশ্যে ত্রাণবাহী জাহাজ পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। জুনে সাতটি দেশের ১২ জন কর্মীকে আটক করে বহিষ্কার করা হয়। যাদের মধ্যে গ্রেটা থানবার্গও ছিলেন। জুলাইতে আরও একদল কর্মীকে আটকে দেওয়া হয়।

বর্তমানে গাজার মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক। ইসরায়েল মার্চে সমস্ত ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং এখন সীমিতভাবে কিছু খাদ্য ঢুকতে দিলেও তা যথেষ্ট নয়। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে।

এদিকে, একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, দেশটি শিগগিরই গাজায় বিমান ও স্থলপথে ত্রাণ সরবরাহ আরও কমিয়ে দিতে পারে, এবং গাজার উত্তরাংশ থেকে বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে গাজা শহরের বাসিন্দারা বারবার স্থানত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।

নৌবহরের এই নতুন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে মানবিক সহায়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশ্নে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে বার্সেলোনা থেকে নৌবহরের যাত্রা

আপডেট সময় : ০৭:১৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ / ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে রবিবার (৩১ আগস্ট) বার্সেলোনা থেকে গাজার উদ্দেশ্যে একটি নৌবহর যাত্রা শুরু করার কথা ছিল। যেখানে সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গসহ আরও কর্মীরা ছিলেন।

নৌবহরের আয়োজকরা জানিয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্য গাজার ‘অবৈধ অবরোধ’ ভেঙে মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া। যাত্রার সুনির্দিষ্ট সময় ও জাহাজের সংখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বহরটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গাজা উপত্যকায় পৌঁছাবে।

থানবার্গ ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৪৪টি দেশে একযোগে বিক্ষোভ ও সংহতি কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছেন। এই নৌবহরে বেশ কয়েকটি দেশের ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা, সমাজকর্মী এবং বার্সেলোনার প্রাক্তন মেয়র আদা কোলাও এর মত জনসাধারণের ব্যক্তিত্বরা থাকবেন।

ইসরায়েল এর আগে দুইবার জুন ও জুলাই মাসে গাজার উদ্দেশ্যে ত্রাণবাহী জাহাজ পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। জুনে সাতটি দেশের ১২ জন কর্মীকে আটক করে বহিষ্কার করা হয়। যাদের মধ্যে গ্রেটা থানবার্গও ছিলেন। জুলাইতে আরও একদল কর্মীকে আটকে দেওয়া হয়।

বর্তমানে গাজার মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক। ইসরায়েল মার্চে সমস্ত ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং এখন সীমিতভাবে কিছু খাদ্য ঢুকতে দিলেও তা যথেষ্ট নয়। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে।

এদিকে, একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, দেশটি শিগগিরই গাজায় বিমান ও স্থলপথে ত্রাণ সরবরাহ আরও কমিয়ে দিতে পারে, এবং গাজার উত্তরাংশ থেকে বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে গাজা শহরের বাসিন্দারা বারবার স্থানত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।

নৌবহরের এই নতুন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে মানবিক সহায়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশ্নে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।