ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার জেরে কুমিল্লায় যুবককে চার টুকরো করে ভাসানো হয় নদীতে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

জরুলকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলা হয়।


কুমিল্লার তিতাসে পরকীয়ার জেরে মো. নজরুল ভূঁইয়া (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক নারী ও তার স্বামী। হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেন তারা।

 ঘটনায় প্রেমিকা স্মৃতি (২৭) ও তার স্বামী মো. হোসেন মিয়াকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মো. শহিদ উল্লাহ।
 
নিহত নজরুল ভূঁইয়া সাহাবৃদ্দি গ্রামের মো. হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে এবং পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।
জানা যায়,  গত ৬ আগস্ট রাতে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। ৮ আগস্ট তার বাবা হানিফ ভূঁইয়া তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পুলিশ নিখোঁজ নজরুলের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ১০ আগস্ট ভোরে অটোরিকশা চালক হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতিকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নজরুলকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেন।
 
তিতাস থানার ওসি শহিদ উল্লাহ বলেন, নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছি। তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
নিহতের বাবা হানিফ ভূঁইয়া জানান, পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। 

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

পরকীয়ার জেরে কুমিল্লায় যুবককে চার টুকরো করে ভাসানো হয় নদীতে

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

জরুলকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলা হয়।


কুমিল্লার তিতাসে পরকীয়ার জেরে মো. নজরুল ভূঁইয়া (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক নারী ও তার স্বামী। হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেন তারা।

 ঘটনায় প্রেমিকা স্মৃতি (২৭) ও তার স্বামী মো. হোসেন মিয়াকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মো. শহিদ উল্লাহ।
 
নিহত নজরুল ভূঁইয়া সাহাবৃদ্দি গ্রামের মো. হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে এবং পেশায় ট্রাক্টর চালক ছিলেন।
জানা যায়,  গত ৬ আগস্ট রাতে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। ৮ আগস্ট তার বাবা হানিফ ভূঁইয়া তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পুলিশ নিখোঁজ নজরুলের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ১০ আগস্ট ভোরে অটোরিকশা চালক হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতিকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নজরুলকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ চার টুকরো করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেন।
 
তিতাস থানার ওসি শহিদ উল্লাহ বলেন, নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছি। তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
নিহতের বাবা হানিফ ভূঁইয়া জানান, পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।