কাতারে অনুষ্ঠিত হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার প্রথম দফার পরোক্ষ যুদ্ধবিরতি আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলোচনার সঙ্গে জড়িত দুই ফিলিস্তিনি সূত্র।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একাধিক দফার চেষ্টার পরও প্রধান কিছু মতপার্থক্য এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। হামাস যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কিছু সংশোধন এনে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও ইসরাইল সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে ইসরাইলি বাহিনী প্রতিদিন গাজায় অসংখ্য ফিলিস্তিনি নারী-শিশুকে হত্যা করছে। যার ফলে সেখানে মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্র হয়ে উঠছে।
এ অবস্থায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘এ সপ্তাহেই হামাসের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ভালো সম্ভাবনা আছে। আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমরা একটা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
অন্যদিকে ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, ‘কাতারে পাঠানো ইসরাইলি প্রতিনিধিদলকে হামাসের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি।’
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা রয়েছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে তিনি বলেছেন, ‘ইসরাইলি আলোচকদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি হতে হবে এমন শর্তে, যা ইসরাইলের জন্য গ্রহণযোগ্য।’
এদিকে অবরুদ্ধ গাজাজুড়ে রোববার (৬ জুলাই) ইসরাইলি হামলায় আরও ৮২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গাজা সিটিতেই প্রাণ গেছে ৩৯ জনের।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এর আগে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক পরিসংখ্যানে জানায়, উপত্যকায় ইসরাইলি ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ত্রাণ উদ্যোগ গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) কেন্দ্রগুলো থেকে খাবার সংগ্রহ করার সময় কমপক্ষে ৭৪৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪ হাজার ৮৯১ জন।সূত্র: মেহের নিউজ
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































