ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খরচ বাঁচাতে খোলা ট্রাক-পিকআপে ছুটছে ঘরমুখো মানুষ

স্বজনদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও মহাসড়কের কোথাও যানজট নেই। অনেকেই খরচ বাঁচাতে পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ট্রাক-পিকআপে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন দৃশ্য দেখা যায়। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই খরচ বাঁচানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে করে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসের ছাদে উঠেছেন।

আফরোজা আক্তার নামে ট্রাকের এক যাত্রী বলেন, বাসে এলে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বাসে তেমন আসা যাচ্ছে না। গাড়ি ভর্তি থাকায় উঠাতে চায় না। এ জন্য ট্রাকে করে সিরাজগঞ্জ চাচ্ছি। খরচ কম লাগতেছে।

লতিফ মিয়া নামে আরেক ট্রাকের যাত্রী বলেন, আমি ঢাকা থেকে আসলাম। রংপুর যাব। ট্রাকে করে যাইতেছি। বাসের খুবই সংকট। বাসের ভাড়াও বেশি চায়। বাসে না এসে ট্রাকে করে যাচ্ছি। ট্রাকে ভাড়া নিতেছে কম। শুধু আমি না অনেকেই ট্রাক-পিকআপে করে যাচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর থেকে সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। যানবাহনের চাপ থাকলেও এখনো কোনো যানজট হয়নি। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

খরচ বাঁচাতে খোলা ট্রাক-পিকআপে ছুটছে ঘরমুখো মানুষ

আপডেট সময় : ০৩:৫২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

স্বজনদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও মহাসড়কের কোথাও যানজট নেই। অনেকেই খরচ বাঁচাতে পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ট্রাক-পিকআপে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন দৃশ্য দেখা যায়। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই খরচ বাঁচানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে করে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসের ছাদে উঠেছেন।

আফরোজা আক্তার নামে ট্রাকের এক যাত্রী বলেন, বাসে এলে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বাসে তেমন আসা যাচ্ছে না। গাড়ি ভর্তি থাকায় উঠাতে চায় না। এ জন্য ট্রাকে করে সিরাজগঞ্জ চাচ্ছি। খরচ কম লাগতেছে।

লতিফ মিয়া নামে আরেক ট্রাকের যাত্রী বলেন, আমি ঢাকা থেকে আসলাম। রংপুর যাব। ট্রাকে করে যাইতেছি। বাসের খুবই সংকট। বাসের ভাড়াও বেশি চায়। বাসে না এসে ট্রাকে করে যাচ্ছি। ট্রাকে ভাড়া নিতেছে কম। শুধু আমি না অনেকেই ট্রাক-পিকআপে করে যাচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর থেকে সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। যানবাহনের চাপ থাকলেও এখনো কোনো যানজট হয়নি। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে।