ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর, উপদেষ্টা পরিষদে আইন পাস

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

প্রেমের সম্পর্ক থাকার সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ক্ষেত্রে আলাদা সাজা নির্ধারণ করেছে সরকার। এখন থেকে এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাজা হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড। 

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এমন বিধান রেখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী পাস হয়েছে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ নিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

প্রেস সচিব বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়েছে। এটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার মধ্যেই থাকবে। তবে একই আইনের মধ্যে আলাদাভাবে এটিকে রাখা হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদে নেয়া অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, সরকারি কাজের দরপত্রে দুনীতি কমাতে ও স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে সরকারি কাজ শতভাগ টেন্ডারে হবে। এতদিন ৬০ শতাংশ কাজ টেন্ডারে হতো।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর, উপদেষ্টা পরিষদে আইন পাস

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

প্রেমের সম্পর্ক থাকার সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ক্ষেত্রে আলাদা সাজা নির্ধারণ করেছে সরকার। এখন থেকে এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাজা হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড। 

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এমন বিধান রেখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী পাস হয়েছে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ নিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

প্রেস সচিব বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়েছে। এটি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার মধ্যেই থাকবে। তবে একই আইনের মধ্যে আলাদাভাবে এটিকে রাখা হয়েছে।

উপদেষ্টা পরিষদে নেয়া অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, সরকারি কাজের দরপত্রে দুনীতি কমাতে ও স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে সরকারি কাজ শতভাগ টেন্ডারে হবে। এতদিন ৬০ শতাংশ কাজ টেন্ডারে হতো।