ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামের দৃষ্টিতে চার পুরুষের ধারণা থানায় ডেকে টাকা ছিনতাই ও মারধর, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা সব অবৈধ ক্লিনিক ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চালু করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভালোবেসে বিয়ে, ১৪ বছর পর ঘরছাড়া ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় নেতানিয়াহু—কীভাবে? শ্রমিকদের আন্দোলনে ভর করে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা: আমজনতার তারেক বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে?

নারী অধিকার লঙ্ঘনে যুক্ত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

কেউ নারী অধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকলে বা এ ধরনের বেআইনি বিধিনিষেধ আরোপের সঙ্গে যুক্ত হলে, দেশের প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নারীদের বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে কয়েকটি ‘বাধার’ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিশেষ করে, সম্প্রতি মেয়েদের দুটি ফুটবল ম্যাচে যারা বাধা দিয়েছে, তাদের এই কর্মকাণ্ডে নিন্দা জানিয়েছে সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নারীরা বাংলাদেশের নাগরিক। তারা পুরুষদের মতোই সমানভাবে মানবিক ও নাগরিক অধিকার ভোগ করে। অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এ ছাড়া, যে কোনো গোষ্ঠীর নাগরিকদের প্রতি বৈষম্য বা নিপীড়নের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার— প্রেস উইং থেকে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ইতোমধ্যে দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনকে স্থগিত ফুটবল ম্যাচ পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

জেলা প্রশাসকরা জানিয়েছেন, তারা সম্প্রতি তাদের জেলায় নারী ফুটবল, ক্রিকেট এবং কাবাডি ম্যাচ আয়োজন করেছেন। এসব ম্যাচ শত শত মানুষ উপভোগ করেছেন। জেলার সব শ্রেণির মানুষ এমন আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।

গত এক মাসে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের বৃহত্তম যুব উৎসবগুলোর মধ্যে একটি আয়োজন করেছে। যার মধ্যে শত শত গ্রামীণ জেলা-উপজেলা শহরে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নারী খেলোয়াড়দের নানা ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব ইভেন্টে অনেক প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় হাজার হাজার মেয়ে ফুটবল, ক্রিকেট ও কাবাডি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন।

বিবৃতির সবশেষে বলা হয়, প্রফেসর ইউনূস আজীবন নারী অধিকারের পক্ষের একজন। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের ৯০ শতাংশেরও বেশি মালিকানা ছিল নারীদের। গত সপ্তাহে ড. ইউনূস ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাংলাদেশে নারী ফুটবলারদের জন্য অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে তার সহায়তা চান তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামের দৃষ্টিতে চার পুরুষের ধারণা

নারী অধিকার লঙ্ঘনে যুক্ত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

কেউ নারী অধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকলে বা এ ধরনের বেআইনি বিধিনিষেধ আরোপের সঙ্গে যুক্ত হলে, দেশের প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নারীদের বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে কয়েকটি ‘বাধার’ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিশেষ করে, সম্প্রতি মেয়েদের দুটি ফুটবল ম্যাচে যারা বাধা দিয়েছে, তাদের এই কর্মকাণ্ডে নিন্দা জানিয়েছে সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নারীরা বাংলাদেশের নাগরিক। তারা পুরুষদের মতোই সমানভাবে মানবিক ও নাগরিক অধিকার ভোগ করে। অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এ ছাড়া, যে কোনো গোষ্ঠীর নাগরিকদের প্রতি বৈষম্য বা নিপীড়নের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার— প্রেস উইং থেকে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ইতোমধ্যে দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনকে স্থগিত ফুটবল ম্যাচ পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

জেলা প্রশাসকরা জানিয়েছেন, তারা সম্প্রতি তাদের জেলায় নারী ফুটবল, ক্রিকেট এবং কাবাডি ম্যাচ আয়োজন করেছেন। এসব ম্যাচ শত শত মানুষ উপভোগ করেছেন। জেলার সব শ্রেণির মানুষ এমন আয়োজনের প্রশংসা করেছেন।

গত এক মাসে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের বৃহত্তম যুব উৎসবগুলোর মধ্যে একটি আয়োজন করেছে। যার মধ্যে শত শত গ্রামীণ জেলা-উপজেলা শহরে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নারী খেলোয়াড়দের নানা ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব ইভেন্টে অনেক প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় হাজার হাজার মেয়ে ফুটবল, ক্রিকেট ও কাবাডি ম্যাচে অংশ নিয়েছেন।

বিবৃতির সবশেষে বলা হয়, প্রফেসর ইউনূস আজীবন নারী অধিকারের পক্ষের একজন। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের ৯০ শতাংশেরও বেশি মালিকানা ছিল নারীদের। গত সপ্তাহে ড. ইউনূস ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাংলাদেশে নারী ফুটবলারদের জন্য অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে তার সহায়তা চান তিনি।