ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকাতের সঙ্গে কথা হয়েছে পুলিশের, তাদের দাবি ‘সেফ এক্সিট’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া পাকাপুল এলাকার রূপালী ব্যাংকের জিঞ্জিরা শাখায় ডাকাতদল প্রবেশ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা এবং স্থানীয় জনতা ব্যাংকের শাখাটি ঘিরে রাখার পর জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে নিজেদের ‘সেফ এক্সিট’ বা নিরাপদ প্রস্থান দাবি করেছে ডাকাতদল।

জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে ডাকাতরা ব্যাংকে ঢোকে। তবে ডাকাতদের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

পাশের মসজিদের মাইক থেকে ডাকাত পড়ার কথা জানানো হলে আশপাশের কয়েক শ লোক ব্যাংকের ওই শাখাটি ঘেরাও করে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত জিম্মি পরিস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অবস্থান অপরিবর্তিত আছে।

ডাকাতদলের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশে কথা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, ফোনে কথা হচ্ছে।

তারা সেফ এক্সিটসহ বিভিন্ন দাবির কথা বলছে।

এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে, ডাকাতরা পিস্তল জাতীয় ছোট অস্ত্র বহন করছে। ঘটনাস্থলে র‍্যাব, পুলিশের পাশাপাশি, সেনাবাহিনীও অবস্থান করছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসি।

ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভেতরে থাকা ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করানোর চেষ্টা চলছে। দুজন অস্ত্রধারী ১২ জনকে জিম্মি করে রেখেছেন। তবে সবাই নিরাপদে আছেন বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ডাকাতের সঙ্গে কথা হয়েছে পুলিশের, তাদের দাবি ‘সেফ এক্সিট’

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া পাকাপুল এলাকার রূপালী ব্যাংকের জিঞ্জিরা শাখায় ডাকাতদল প্রবেশ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা এবং স্থানীয় জনতা ব্যাংকের শাখাটি ঘিরে রাখার পর জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে নিজেদের ‘সেফ এক্সিট’ বা নিরাপদ প্রস্থান দাবি করেছে ডাকাতদল।

জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে ডাকাতরা ব্যাংকে ঢোকে। তবে ডাকাতদের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

পাশের মসজিদের মাইক থেকে ডাকাত পড়ার কথা জানানো হলে আশপাশের কয়েক শ লোক ব্যাংকের ওই শাখাটি ঘেরাও করে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত জিম্মি পরিস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অবস্থান অপরিবর্তিত আছে।

ডাকাতদলের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশে কথা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, ফোনে কথা হচ্ছে।

তারা সেফ এক্সিটসহ বিভিন্ন দাবির কথা বলছে।

এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে, ডাকাতরা পিস্তল জাতীয় ছোট অস্ত্র বহন করছে। ঘটনাস্থলে র‍্যাব, পুলিশের পাশাপাশি, সেনাবাহিনীও অবস্থান করছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসি।

ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভেতরে থাকা ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করানোর চেষ্টা চলছে। দুজন অস্ত্রধারী ১২ জনকে জিম্মি করে রেখেছেন। তবে সবাই নিরাপদে আছেন বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।