ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউল আহসানের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার দুর্নীতি অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের টিমও গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তে আজই একটি কমিটি করা হয়েছে।

গুম-খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়াসহ অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ফোনকলে আড়িপাতা, মানুষের ব্যক্তিগত আলাপ রেকর্ড ফাঁস করা সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত জিয়াউল আহসান, তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন গত ১৯ আগস্ট স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিকে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় জিয়াউল আহসানসহ ৭ জনকে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে। তারা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন।

গত ১৭ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে ১২ নভেম্বর প্রসিকিউশনের আবেদনে জিয়াউল আহসানকে একদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেদিন চিফ প্রসিকিউটর জানান, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যায় জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

জিয়াউল আহসানের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার দুর্নীতি অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের টিমও গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তে আজই একটি কমিটি করা হয়েছে।

গুম-খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়াসহ অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ফোনকলে আড়িপাতা, মানুষের ব্যক্তিগত আলাপ রেকর্ড ফাঁস করা সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত জিয়াউল আহসান, তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন গত ১৯ আগস্ট স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিকে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় জিয়াউল আহসানসহ ৭ জনকে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে। তারা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন।

গত ১৭ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে ১২ নভেম্বর প্রসিকিউশনের আবেদনে জিয়াউল আহসানকে একদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেদিন চিফ প্রসিকিউটর জানান, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যায় জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।