ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে : এ্যানি

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারেক জিয়া জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এই বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতি এনে দিয়েছেন। এ পরিস্থিতি বজায় রাখতে হলে অন্তবর্তী সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, আমাদের প্রত্যাশা, আমাদের দাবি- অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। সেই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
শনিবার সন্ধ্যায় (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের ঝুমুরের ইলিশ চত্বরে গণ মিছিল শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন এ্যানি।
এরআগে বিকেলে জেলা বিএনপির আয়োজনে লক্ষ্মীপুরে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বণার্ঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়৷ র‌্যালিটি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির পুরাতন গোহাটার বাসভবন থেকে শুরু হয়ে চকবাজার-উত্তর তেমুহনী হয়ে ঝুমুর ইলিশ চত্বরে গিয়ে মিলিত হয়। এতে বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেয়।
শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করেন এ্যানি বলেন, বিগত ১৬-১৭ বছর শেখ হাসিনার যে দুঃশাসন দেখেছেন। স্বাধীনতার পর ৭২ সালে তার পিতার নেতৃত্বে এ দুঃশাসন ছিল, দুর্নীতি ছিল, অত্যাচার ছিল, নির্যাতন ছিল, খুন-খারাবি ছিল, গুম-খুন ছিল। তাহলে বাপ-আর বেটির মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। বাপেও কিন্তু পালাইছে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশে ছিল না। তখন পালাইছে। আর ৫ আগস্ট পালাইছে হাসিনা৷ পালিয়ে গেলেও, ষড়যন্ত্র পালায়নি। তারা যে টাকা লুটপাট করেছে, বিদেশে পাচার করেছে। বাহিরে বসে আজকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।
সবাই মিলে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠন করার কথা জানিয়ে এ্যানি বলেন, ৫ আগস্ট আমরা রাস্তায় নেমে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, এখনো আমাদেরকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সজাগ ও সতর্কতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী ও মজবুত করতে হবে। তারেক রহমান শুধু এককভাবে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে আন্দোলন করেননি। দেশ রক্ষার জন্য আন্দোলন করেছে। জনগণকে রক্ষার আন্দোলন করেছে। এজন্য তিনি বলেছেন, যারা ফ্যাসিবাদে বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠন করা হবে। সেজন্য দরকার গণতন্ত্রের ভিতকে আরও মজবুত করা।
জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয় জানিয়ে বিএনপি নেতা এ্যানি বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানের রাজনীতি করি। তার আদর্শ ধারণ করি। বাংলাদেশে আধুনিক রাজনীতির জন্য জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয়। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভীতকে মজবুত করেছেন, শক্তশালী করেছেন৷ এ দেশে যদি সেই ক্রান্তিলগ্নে জিয়াউর রহমান নিউক্লিয়াসের ভূমিকা পালন না করতেন, তিনি যদি ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারতেন, ওই দুঃশাসন, ওই ক্রান্তিলগ্ন থেকে এদেশ সেসময় রক্ষা হতো না। তার দেখানো পথেই জাতি দুঃশাসন ও ক্রান্তিলগ্ন থেকে মুক্তি পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়া এ দেশ পরিচালনা করেছেন। দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গণতন্ত্রের ভিতকে বারবার শক্তিশালি করেছেন। যখনই এদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ফ্যাসিস্ট ভূমিকা তখন দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আমরা আবার জাগরণ সৃষ্টি করে বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারো ৭ নভেম্বরের মতো আরেকটি ঐক্য সৃষ্টি করার জন্য আমরা ঐকবদ্ধ আছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জনগণের চেতনা এবং অনুভূতিকে ধারণ করতে হবে। জনগণ মনে করছে এখনই দেশে নির্বাচন প্রয়োজন। খুব অল্প ও যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হলে ফ্যাসিস্ট ষড়যন্ত্র আমাদের ওপর আবার আঘাত করতে পারে। এটি দেশের মানুষের জন্য কঠিন বিপদ হতে পারে। অপশক্তি যদি ছোবল মারে, তাহলে গণতন্ত্রের ভিত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন সংস্কারে নভেম্বর-ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ তিনমাসের বেশি লাগার কথা নয়। সংস্কার শেষে অবিলম্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা ও গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হবে। আমরা যদি এ মুহুর্তে একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা না করতে পারি, তাহলে পাশের দেশে বসে এখনো হাসিনা ফ্যাসিস্টরা যে চক্রান্ত যে ষড়যন্ত্র করছে, সে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আমাদের বড় ধরণের ক্ষতি করতে পারে।
এ্যানি আরও বলেন, ১৭ বছর অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। দেশকে গড়ার জন্য যদি আরও ২-৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়, দেশের ভিতকে শক্তিশালী করার জন্য, গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী করার জন্য। সেই ত্যাগ স্বীকার করতেও আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। টেন্ডারবাজী আমাদের চাওয়া পাওয়া নয়। সন্ত্রাস আমাদের চাওয়া পাওয়া নয়। লুটপাট আমাদের চাওয়া পাওয়া হতে পারে না। আওয়ামী লীগ যে পথে হাঁটছে, বিএনপি সেই পথে হাঁটতে পারে না। কারণ আমরা জনগণের প্রত্যাশাকে, জনগণের চেতনাকে ধারণ করি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার দর্শনের মধ্য দিয়ে তা আমাদেরকে শিখিয়েছেন। তার  জৈষ্ঠ্য সন্তান তারেক রহমান এ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চান, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে গড়তে চান। সেজন্য আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আছি এবং থাকবো। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। যেমনি ৫ আগস্ট আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম ছাত্র-জনতার নেতা তারেক জিয়া নেতৃত্বে। আজকেও আমরা আছি। কেন আছি- ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে দেখার জন্য। সুন্দর বাংলাদেশটাকে দেখার জন্য। সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে আগামী দিনে নির্বাচন দরকার। জনগণের সরকার দরকার। বাংলাদেশের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, সদ্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, বিএনপি নেতা শাহ মোহাম্মদ এমরান, কামরুজ্জামান সোহেল, রায়পুর পৌরসভার সাবেক মেয়র এবিএম জিলানী, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ারসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে : এ্যানি

আপডেট সময় : ১২:৪১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারেক জিয়া জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এই বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতি এনে দিয়েছেন। এ পরিস্থিতি বজায় রাখতে হলে অন্তবর্তী সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, আমাদের প্রত্যাশা, আমাদের দাবি- অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। সেই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
শনিবার সন্ধ্যায় (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের ঝুমুরের ইলিশ চত্বরে গণ মিছিল শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন এ্যানি।
এরআগে বিকেলে জেলা বিএনপির আয়োজনে লক্ষ্মীপুরে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বণার্ঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়৷ র‌্যালিটি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির পুরাতন গোহাটার বাসভবন থেকে শুরু হয়ে চকবাজার-উত্তর তেমুহনী হয়ে ঝুমুর ইলিশ চত্বরে গিয়ে মিলিত হয়। এতে বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেয়।
শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করেন এ্যানি বলেন, বিগত ১৬-১৭ বছর শেখ হাসিনার যে দুঃশাসন দেখেছেন। স্বাধীনতার পর ৭২ সালে তার পিতার নেতৃত্বে এ দুঃশাসন ছিল, দুর্নীতি ছিল, অত্যাচার ছিল, নির্যাতন ছিল, খুন-খারাবি ছিল, গুম-খুন ছিল। তাহলে বাপ-আর বেটির মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। বাপেও কিন্তু পালাইছে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশে ছিল না। তখন পালাইছে। আর ৫ আগস্ট পালাইছে হাসিনা৷ পালিয়ে গেলেও, ষড়যন্ত্র পালায়নি। তারা যে টাকা লুটপাট করেছে, বিদেশে পাচার করেছে। বাহিরে বসে আজকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।
সবাই মিলে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠন করার কথা জানিয়ে এ্যানি বলেন, ৫ আগস্ট আমরা রাস্তায় নেমে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, এখনো আমাদেরকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সজাগ ও সতর্কতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী ও মজবুত করতে হবে। তারেক রহমান শুধু এককভাবে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে আন্দোলন করেননি। দেশ রক্ষার জন্য আন্দোলন করেছে। জনগণকে রক্ষার আন্দোলন করেছে। এজন্য তিনি বলেছেন, যারা ফ্যাসিবাদে বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠন করা হবে। সেজন্য দরকার গণতন্ত্রের ভিতকে আরও মজবুত করা।
জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয় জানিয়ে বিএনপি নেতা এ্যানি বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানের রাজনীতি করি। তার আদর্শ ধারণ করি। বাংলাদেশে আধুনিক রাজনীতির জন্য জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয়। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভীতকে মজবুত করেছেন, শক্তশালী করেছেন৷ এ দেশে যদি সেই ক্রান্তিলগ্নে জিয়াউর রহমান নিউক্লিয়াসের ভূমিকা পালন না করতেন, তিনি যদি ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারতেন, ওই দুঃশাসন, ওই ক্রান্তিলগ্ন থেকে এদেশ সেসময় রক্ষা হতো না। তার দেখানো পথেই জাতি দুঃশাসন ও ক্রান্তিলগ্ন থেকে মুক্তি পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়া এ দেশ পরিচালনা করেছেন। দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গণতন্ত্রের ভিতকে বারবার শক্তিশালি করেছেন। যখনই এদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ফ্যাসিস্ট ভূমিকা তখন দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আমরা আবার জাগরণ সৃষ্টি করে বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারো ৭ নভেম্বরের মতো আরেকটি ঐক্য সৃষ্টি করার জন্য আমরা ঐকবদ্ধ আছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জনগণের চেতনা এবং অনুভূতিকে ধারণ করতে হবে। জনগণ মনে করছে এখনই দেশে নির্বাচন প্রয়োজন। খুব অল্প ও যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হলে ফ্যাসিস্ট ষড়যন্ত্র আমাদের ওপর আবার আঘাত করতে পারে। এটি দেশের মানুষের জন্য কঠিন বিপদ হতে পারে। অপশক্তি যদি ছোবল মারে, তাহলে গণতন্ত্রের ভিত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন সংস্কারে নভেম্বর-ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ তিনমাসের বেশি লাগার কথা নয়। সংস্কার শেষে অবিলম্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা ও গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হবে। আমরা যদি এ মুহুর্তে একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা না করতে পারি, তাহলে পাশের দেশে বসে এখনো হাসিনা ফ্যাসিস্টরা যে চক্রান্ত যে ষড়যন্ত্র করছে, সে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আমাদের বড় ধরণের ক্ষতি করতে পারে।
এ্যানি আরও বলেন, ১৭ বছর অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। দেশকে গড়ার জন্য যদি আরও ২-৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়, দেশের ভিতকে শক্তিশালী করার জন্য, গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী করার জন্য। সেই ত্যাগ স্বীকার করতেও আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। টেন্ডারবাজী আমাদের চাওয়া পাওয়া নয়। সন্ত্রাস আমাদের চাওয়া পাওয়া নয়। লুটপাট আমাদের চাওয়া পাওয়া হতে পারে না। আওয়ামী লীগ যে পথে হাঁটছে, বিএনপি সেই পথে হাঁটতে পারে না। কারণ আমরা জনগণের প্রত্যাশাকে, জনগণের চেতনাকে ধারণ করি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার দর্শনের মধ্য দিয়ে তা আমাদেরকে শিখিয়েছেন। তার  জৈষ্ঠ্য সন্তান তারেক রহমান এ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চান, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে গড়তে চান। সেজন্য আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আছি এবং থাকবো। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। যেমনি ৫ আগস্ট আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম ছাত্র-জনতার নেতা তারেক জিয়া নেতৃত্বে। আজকেও আমরা আছি। কেন আছি- ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে দেখার জন্য। সুন্দর বাংলাদেশটাকে দেখার জন্য। সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে আগামী দিনে নির্বাচন দরকার। জনগণের সরকার দরকার। বাংলাদেশের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, সদ্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, বিএনপি নেতা শাহ মোহাম্মদ এমরান, কামরুজ্জামান সোহেল, রায়পুর পৌরসভার সাবেক মেয়র এবিএম জিলানী, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ারসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।