ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর সবুজবাগে ইব্রাহিম পলাশ (৩৬) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজার পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশের গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রাম। তার পিতার নাম আবুল বাশার। তিনি সবুজবাগ থানাধীন ৭১ নম্বর মাদারটেক এলাকায় থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা পলাশের প্রতিবেশী হীরা জানান, পলাশ পেশায় প্রাইভেটকার চালক ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী ছিলেন। রাতে তিনি চায়ের দোকানে বসা ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে একই এলাকার রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। এতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হীরা আরও জানায়, কয়েক দিন আগে সবুজবাগ এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে রিকশা চুরি করেন সবুজ। সেই রিকশা পলাশ উদ্ধার করতে গেলে সবুজের সঙ্গে তর্ক হয়। ওই ঘটনার জেরে তার ওপর এই হামলা করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, ঘটনার বিষয়ে কাজ চলছে। যারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৯:১৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সবুজবাগে ইব্রাহিম পলাশ (৩৬) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজার পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশের গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রাম। তার পিতার নাম আবুল বাশার। তিনি সবুজবাগ থানাধীন ৭১ নম্বর মাদারটেক এলাকায় থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা পলাশের প্রতিবেশী হীরা জানান, পলাশ পেশায় প্রাইভেটকার চালক ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী ছিলেন। রাতে তিনি চায়ের দোকানে বসা ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে একই এলাকার রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। এতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হীরা আরও জানায়, কয়েক দিন আগে সবুজবাগ এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে রিকশা চুরি করেন সবুজ। সেই রিকশা পলাশ উদ্ধার করতে গেলে সবুজের সঙ্গে তর্ক হয়। ওই ঘটনার জেরে তার ওপর এই হামলা করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, ঘটনার বিষয়ে কাজ চলছে। যারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।