উত্তরা, বাড্ডা, কমলাপুর, মুগদা, আসাদ গেট ও পরীবাগ এলাকার পাম্পগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। রেশনিং পদ্ধতিতে করা হচ্ছে তেল সরবরাহ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে রাত থেকে অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ তেল পাওয়া যাচ্ছে না। নির্ধারিত সীমার বেশি তেল না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।
এদিকে, সরকার সম্প্রতি বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাব উল্লেখ করে নতুন করে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করেছে। শনিবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 



































