ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশান্বিত করেছে’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশান্বিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাসহ অন্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়সহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাহিনীর ভূমিকা আরো স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন।

বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করতে চায় জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কেউ কখনো পরাজিত করতে পারবে না।

তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, সেই সময় থেকে সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব গড়ে উঠেছিল, তা অব্যাহত রাখা জরুরি। তার মতে, একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

‘জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশান্বিত করেছে’

আপডেট সময় : ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশান্বিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাসহ অন্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়সহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাহিনীর ভূমিকা আরো স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন।

বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করতে চায় জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কেউ কখনো পরাজিত করতে পারবে না।

তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, সেই সময় থেকে সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব গড়ে উঠেছিল, তা অব্যাহত রাখা জরুরি। তার মতে, একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।