ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে – রাশেদ খান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী দুর্বৃত্তদের অতর্কিত গুপ্ত হামলার প্রতিবাদে ও গণহত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মশাল মিছিল শুরু হয়। এরপর পল্টন মোড় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড় ঘুরে আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনা কি এখনো প্রধানমন্ত্রী? রাষ্ট্রপতির কাছে শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র দিক বা না দিক, তাতে কী আসে যায়? যে গণ-আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছে, তার পদত্যাগের কিছু নাই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যে অপরাধ করেছে, তাদের রাজনীতির কোনো অধিকার নাই। সুতরাং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ভোটের রাজনীতির জন্য কোনো দল আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করলেও জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করবে না।

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগের নিয়োগকৃত আমলারা এখনও প্রতিবিপ্লবের স্বপ্ন দেখছে, আপনাদের এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। আওয়ামী লীগের নিয়োগকৃত রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্বে রেখে ছাত্রজনতার অর্জিত বিজয় সুরক্ষিত নয়।

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি হোসাইন নুর, শাকিল আহমেদ তিয়াস, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জাহাঙ্গীর হিরণ, উত্তরের সভাপতি মামুন শেখ প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে – রাশেদ খান

আপডেট সময় : ০৪:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

আওয়ামী দুর্বৃত্তদের অতর্কিত গুপ্ত হামলার প্রতিবাদে ও গণহত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মশাল মিছিল শুরু হয়। এরপর পল্টন মোড় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড় ঘুরে আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনা কি এখনো প্রধানমন্ত্রী? রাষ্ট্রপতির কাছে শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র দিক বা না দিক, তাতে কী আসে যায়? যে গণ-আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছে, তার পদত্যাগের কিছু নাই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যে অপরাধ করেছে, তাদের রাজনীতির কোনো অধিকার নাই। সুতরাং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ভোটের রাজনীতির জন্য কোনো দল আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করলেও জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করবে না।

গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগের নিয়োগকৃত আমলারা এখনও প্রতিবিপ্লবের স্বপ্ন দেখছে, আপনাদের এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। আওয়ামী লীগের নিয়োগকৃত রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্বে রেখে ছাত্রজনতার অর্জিত বিজয় সুরক্ষিত নয়।

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি হোসাইন নুর, শাকিল আহমেদ তিয়াস, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জাহাঙ্গীর হিরণ, উত্তরের সভাপতি মামুন শেখ প্রমুখ।