ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের আইটেক কর্মসূচিতে ৫ হাজার বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন: প্রণয় ভার্মা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের প্রধান উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি আইটেকে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। 

সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে আইটেক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে ৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী আইটেক প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। আইটেক প্রোগ্রাম ভারতের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশনের প্রতি অঙ্গীকার, যা অংশীদার দেশের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রদান করে।’

এসময় বাংলাদেশের আইটেক অ্যালামনাইদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করার জন্য এবং অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে ভূমিকা রাখার জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

হাইকমিশন জানায়, আইটেক ভারতের সরকারের একটি ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশ ভারতের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা পাচ্ছে। প্রতি বছর আইটেক অংশীদার দেশগুলোর জন্য ১২,০০০-এর বেশি প্রশিক্ষণ স্লট এবং ৩০০টিরও বেশি কোর্স অফার করা হয়। কৃষি, হিসাব-নিরীক্ষা, ব্যবস্থাপনা, সুশাসন, এসএমই, গ্রামীণ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য, সংসদীয় বিষয়, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, আইটি, ডেটা অ্যানালিটিকস, রিমোট সেন্সিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংসহ নানা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এদিকে অনুষ্ঠানে ১৫০ জন বাংলাদেশি আইটেক অ্যালামনাই অংশ নেন। অনেকেই ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। প্রশাসন, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন খাতভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সেসব প্রশিক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তারা।

বাংলাদেশ কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন (বিএইসি), বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অ্যান্ড রিমোট সেনসিং অর্গানাইজেশন (স্পারসো) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি (বিএলপিএ)সহ বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আইটেক বর্তমানে ভারতের প্রধান উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি। ১৬০টিরও বেশি দেশ এ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে। প্রতি বছর কৃষি, প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি, রিমোট সেন্সিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উন্নত কম্পিউটিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩০০-এর বেশি বিশেষায়িত কোর্সে ১২ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা-প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ভারতের আইটেক কর্মসূচিতে ৫ হাজার বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন: প্রণয় ভার্মা

আপডেট সময় : ০২:২৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের প্রধান উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি আইটেকে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। 

সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে আইটেক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে ৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী আইটেক প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। আইটেক প্রোগ্রাম ভারতের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশনের প্রতি অঙ্গীকার, যা অংশীদার দেশের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রদান করে।’

এসময় বাংলাদেশের আইটেক অ্যালামনাইদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করার জন্য এবং অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে ভূমিকা রাখার জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

হাইকমিশন জানায়, আইটেক ভারতের সরকারের একটি ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশ ভারতের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা পাচ্ছে। প্রতি বছর আইটেক অংশীদার দেশগুলোর জন্য ১২,০০০-এর বেশি প্রশিক্ষণ স্লট এবং ৩০০টিরও বেশি কোর্স অফার করা হয়। কৃষি, হিসাব-নিরীক্ষা, ব্যবস্থাপনা, সুশাসন, এসএমই, গ্রামীণ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য, সংসদীয় বিষয়, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, আইটি, ডেটা অ্যানালিটিকস, রিমোট সেন্সিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংসহ নানা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এদিকে অনুষ্ঠানে ১৫০ জন বাংলাদেশি আইটেক অ্যালামনাই অংশ নেন। অনেকেই ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। প্রশাসন, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন খাতভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সেসব প্রশিক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তারা।

বাংলাদেশ কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন (বিএইসি), বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অ্যান্ড রিমোট সেনসিং অর্গানাইজেশন (স্পারসো) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি (বিএলপিএ)সহ বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আইটেক বর্তমানে ভারতের প্রধান উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি। ১৬০টিরও বেশি দেশ এ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে। প্রতি বছর কৃষি, প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি, রিমোট সেন্সিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উন্নত কম্পিউটিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩০০-এর বেশি বিশেষায়িত কোর্সে ১২ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা-প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।