ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলে ধরা নিজ স্কুলে, অভিমানে আত্মহত্যা অন্য স্কুলের টয়লেটে!

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

বার্ষিক পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর অভিমানে আত্মহত্যা করেছে নোয়াখালীর বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ফারহানা আক্তার মোহনা (১২)। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটে এ ঘটনা ঘটে।

ফারহানা আক্তার উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল এবং একই ইউনিয়নের পণ্ডিতপুর গ্রামের বেন্টর বাড়ির মো. ফরহাদের মেয়ে।

নিহতের চাচা সাইফুল ইসলাম তানিম বলেন, ‘সকালে স্কুলে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয় মোহনা। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির লোকজন জানতে পারে সে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে তার স্বজনেরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আসে। তখন তাদের জানানো হয় পরীক্ষা চলাকালীন নকল করলে সে ধরা পড়ে। এতে সে অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। তবে বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখলে আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে।’

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

নকলে ধরা নিজ স্কুলে, অভিমানে আত্মহত্যা অন্য স্কুলের টয়লেটে!

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বার্ষিক পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর অভিমানে আত্মহত্যা করেছে নোয়াখালীর বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ফারহানা আক্তার মোহনা (১২)। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটে এ ঘটনা ঘটে।

ফারহানা আক্তার উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল এবং একই ইউনিয়নের পণ্ডিতপুর গ্রামের বেন্টর বাড়ির মো. ফরহাদের মেয়ে।

নিহতের চাচা সাইফুল ইসলাম তানিম বলেন, ‘সকালে স্কুলে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয় মোহনা। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির লোকজন জানতে পারে সে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে তার স্বজনেরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আসে। তখন তাদের জানানো হয় পরীক্ষা চলাকালীন নকল করলে সে ধরা পড়ে। এতে সে অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। তবে বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখলে আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে।’

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।