ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে দেশের সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসে গণপ্রতিরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরনের ব্যবস্থা অপরিহার্য।

রোববার (২ নভেম্বর) ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আমাদের তরুণদের মৌলিক সামরিক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে যাদের ক্ষতি, যারা আমাদের গোলামির শিকল পরিয়ে রাখতে চাইবে, তারা আর সুযোগ পাবে না। সিস্টেমের ভেতরে থাকা কিছু এজেন্টদের মাধ্যমে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনে আট থেকে নয় মাস+ সময় লেগেছে। এখন যখন বাস্তবায়নের পথে, তখন তৎপর পত্রিকাগুলো ন্যারেটিভ নির্মাণ শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিএনসিসির ক্যাডেটরা বাৎসরিক ক্যাম্পে অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ পান। আমি নিজেও তা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই প্রশিক্ষণ আরও উন্নত ও বড় পরিসরে করা প্রয়োজন।’

আসিফ মাহমুদ আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘কখনো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে ইনশাআল্লাহ সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। আমাদের ভৌগোলিক বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে গণপ্রতিরক্ষার ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।’

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ

আপডেট সময় : ১১:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে দেশের সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসে গণপ্রতিরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ ধরনের ব্যবস্থা অপরিহার্য।

রোববার (২ নভেম্বর) ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আমাদের তরুণদের মৌলিক সামরিক শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে যাদের ক্ষতি, যারা আমাদের গোলামির শিকল পরিয়ে রাখতে চাইবে, তারা আর সুযোগ পাবে না। সিস্টেমের ভেতরে থাকা কিছু এজেন্টদের মাধ্যমে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনে আট থেকে নয় মাস+ সময় লেগেছে। এখন যখন বাস্তবায়নের পথে, তখন তৎপর পত্রিকাগুলো ন্যারেটিভ নির্মাণ শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিএনসিসির ক্যাডেটরা বাৎসরিক ক্যাম্পে অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ পান। আমি নিজেও তা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই প্রশিক্ষণ আরও উন্নত ও বড় পরিসরে করা প্রয়োজন।’

আসিফ মাহমুদ আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘কখনো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলে ইনশাআল্লাহ সব নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। আমাদের ভৌগোলিক বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে গণপ্রতিরক্ষার ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।’