ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার প্রশংসা আইন উপদেষ্টার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেনা কর্মকর্তাদের উপস্থিত হওয়া অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করেন তিনি। মামলার আসামি হিসেবে সেনা কর্মকর্তাদের কোথায় রাখা হবে সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে বুধবার ঢাকা সেনানিবাসের ‘সাবজেল’ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে নেওয়া হয়। পরে আদালত ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানা যায়।

এ প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, গুম-খুনের আসামি সেনা কর্মকর্তাদের সাবজেলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ট্রাইব্যুনালে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে এবং তার প্রতি সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আসামিদের কোথায় রাখা হবে—সেটি সম্পূর্ণভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভুক্ত বিষয়। তারা যা উপযুক্ত মনে করবে, সেটিই করবে।

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য-বিবৃতির কারণে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তবে আমার ধারণা, যখন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তব অগ্রগতি দেখব তখন এ সংক্রান্ত সব সংশয় খুব দ্রুত কেটে যাবে। সরকার সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতেই চেষ্টা করছে।

আসিফ নজরুল বলেন, জনপ্রশাসনের বদলি ও নিয়োগ নিয়ে বিএনপির আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বিষয়টি দেখভাল করবেন। সব দল অভিযোগ করছে প্রশাসনে দলীয় লোক আছে—এর মানে এই সরকার নিরপেক্ষ।

এ সময় তিনি জানান, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, অন্তর্বর্তী সরকার যেন নিরপেক্ষভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো ভূমিকা রাখে, সেই দাবি করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার প্রশংসা আইন উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেনা কর্মকর্তাদের উপস্থিত হওয়া অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করেন তিনি। মামলার আসামি হিসেবে সেনা কর্মকর্তাদের কোথায় রাখা হবে সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে বুধবার ঢাকা সেনানিবাসের ‘সাবজেল’ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে নেওয়া হয়। পরে আদালত ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানা যায়।

এ প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, গুম-খুনের আসামি সেনা কর্মকর্তাদের সাবজেলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ট্রাইব্যুনালে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে এবং তার প্রতি সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আসামিদের কোথায় রাখা হবে—সেটি সম্পূর্ণভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভুক্ত বিষয়। তারা যা উপযুক্ত মনে করবে, সেটিই করবে।

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য-বিবৃতির কারণে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তবে আমার ধারণা, যখন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তব অগ্রগতি দেখব তখন এ সংক্রান্ত সব সংশয় খুব দ্রুত কেটে যাবে। সরকার সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতেই চেষ্টা করছে।

আসিফ নজরুল বলেন, জনপ্রশাসনের বদলি ও নিয়োগ নিয়ে বিএনপির আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বিষয়টি দেখভাল করবেন। সব দল অভিযোগ করছে প্রশাসনে দলীয় লোক আছে—এর মানে এই সরকার নিরপেক্ষ।

এ সময় তিনি জানান, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, অন্তর্বর্তী সরকার যেন নিরপেক্ষভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো ভূমিকা রাখে, সেই দাবি করেছে।