ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ দাবি নিয়ে এবার মাঠে নামছে বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সারাদেশে নানা পক্ষের দাবির জোয়ার। সেই ধারাবহিকতায় এবার মাঠে নামছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। তাদের দাবি আটটি। সেগুলো পূরণে আগামী শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণমিছিল করবে দলটি। 

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

তিনি জানান, গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ আট দফা দাবিতে ২৪ অক্টোবর ঢাকা সমাবেশ ও গণমিছিলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এ সমাবেশ শুরু হবে।

সাইফুল জানান, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম বন্ধ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপযোগী করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢেলে সাজানো, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ, দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার তৎপরতা বন্ধের দাবিতে এ সমাবেশ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কারও কারও উগ্র ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বক্তব্য- বিবৃতি,  সরকারের অকার্যকারিতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাগত দায়িত্বে দুর্বলতাসহ বিভিন্ন  কারণে এখনো ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংশয়-সন্দেহ অব্যাহত রয়েছে।

তার মতে, গত কয়েক দিন ধরে প্রথমে ঢাকার মিরপুরে কেমিক্যাল গোডাউনে, তারপর চট্টগ্রামে ইপিজেডে এবং তিন দিন আগে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কার্গো ভিলেজে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা নিছক একটি দুর্ঘটনা বলে মনে হয় না। এসব ঘটনা পরিকল্পিত কোনো নাশকতার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

সাইফুল বলেন, নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় সরকার পাস করেনি। এ পরীক্ষায় সরকারের ফেল করার সুযোগ নেই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অবিলম্বে সরকারের মধ্যে থাকা সরকারগুলো ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।

সাইফুল বলেন, নির্বাচন  কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ভেঙে পড়া সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনআস্থা প্রতিষ্ঠিত করা এবং স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

৮ দাবি নিয়ে এবার মাঠে নামছে বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি

আপডেট সময় : ১১:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সারাদেশে নানা পক্ষের দাবির জোয়ার। সেই ধারাবহিকতায় এবার মাঠে নামছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। তাদের দাবি আটটি। সেগুলো পূরণে আগামী শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণমিছিল করবে দলটি। 

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

তিনি জানান, গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ আট দফা দাবিতে ২৪ অক্টোবর ঢাকা সমাবেশ ও গণমিছিলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এ সমাবেশ শুরু হবে।

সাইফুল জানান, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম বন্ধ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপযোগী করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢেলে সাজানো, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ, দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার তৎপরতা বন্ধের দাবিতে এ সমাবেশ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কারও কারও উগ্র ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বক্তব্য- বিবৃতি,  সরকারের অকার্যকারিতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাগত দায়িত্বে দুর্বলতাসহ বিভিন্ন  কারণে এখনো ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংশয়-সন্দেহ অব্যাহত রয়েছে।

তার মতে, গত কয়েক দিন ধরে প্রথমে ঢাকার মিরপুরে কেমিক্যাল গোডাউনে, তারপর চট্টগ্রামে ইপিজেডে এবং তিন দিন আগে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কার্গো ভিলেজে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা নিছক একটি দুর্ঘটনা বলে মনে হয় না। এসব ঘটনা পরিকল্পিত কোনো নাশকতার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

সাইফুল বলেন, নিরপেক্ষতার পরীক্ষায় সরকার পাস করেনি। এ পরীক্ষায় সরকারের ফেল করার সুযোগ নেই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অবিলম্বে সরকারের মধ্যে থাকা সরকারগুলো ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।

সাইফুল বলেন, নির্বাচন  কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ভেঙে পড়া সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনআস্থা প্রতিষ্ঠিত করা এবং স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া।