ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পর্যবেক্ষক নিবন্ধনে কোনো দাবি-আপত্তি আসেনি : ইসি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছ ও অবাধ করতে ৭৩টি দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার ভোট পর্যবেক্ষণ নিবন্ধনে দাবি-আপত্তি আহ্বান জানানো হলেও ১৫ কার্যদিবসে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র এই তথ্য জানায়।

সূত্রটি আরও জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বর ৭৩ পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনে কারো দাবি-আপত্তি থাকলে তা জানতে ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা নিয়ে কেউ দাবি-আপত্তি জানায়নি। এতে এবার দাবি-আপত্তি শূন্য।

নির্বাচন কমিশনের সূত্রটি আরও জানান, দাবি-আপত্তি না থাকলেও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন কমিশন আমলে নিয়েছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যে ৭৩টি নিবন্ধনযোগ্য ছিল এর মধ্যে থেকে অনেক চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না।

এরআগে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা তো আর পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন দিয়ে দেয়নি। গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। আমাদের কাছে তথ্য আসলে আমরা সেসব পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেব না। আবার অনেক পর্যবেক্ষক সংস্থার যোগ্যতা থাকার পরও তাদের দিতে পারছি না কারণ তারা বিগত নির্বাচনগুলোতে সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ৭৩ নিবন্ধনযোগ্য পর্যবেক্ষক সংস্থার দাবি-আপত্তি আহ্বান করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর দাবি-আপত্তি নিয়ে শুনানি শেষে পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করবে ইসি।

এর আগে ২৭ জুলাই পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন আবেদন আহ্বান করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি। এক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল, যা শেষ হয়েছে গত রোববার (১০ আগস্ট)।

গত ১৭ জুলাই দেশীয় পর্যবেক্ষক নীতিমালা-২০২৫ জারি করা হয়। বাতিল করা হয় ২০২৩ সালের নীতিমালা। পাশাপাশি ওই সময়ের সংস্থাগুলোর নিবন্ধনও বাতিল হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৮ সাল থেকে ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক নিবন্ধন দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সে সময় ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল। ২০১৮ সালে ১১৮টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় ইসি। ২০২৩ সালে ৯৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়।

প্রতি সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশীয় সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানায় নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে নিবন্ধন পেয়ে সংস্থাগুলো পরবর্তী পাঁচ বছর স্থানীয় নির্বাচনও পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

গত সংসদ নির্বাচনে দেশীয় বিভিন্ন সংস্থার ২০ হাজার ৭৭৩ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের আবেদন করেন। ইসি কেন্দ্রীয়ভাবে ৪০টি পর্যবেক্ষক সংস্থার ৫১৭ জন এবং স্থানীয়ভাবে ৮৪টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ২০ হাজার ২৫৬ জনকে ভোট পর্যবেক্ষণের অনুমোদন দিয়েছিল।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওআইসি ও কমনওয়েলথ থেকে ৩৮ জন, বিভিন্ন মিশনের ৬৪ জন এবং বাংলাদেশস্থ বিভিন্ন দূতাবাসে বা হাইকমিশনে কর্মরত বাংলাদেশি ৬১ জনসহ মোট ১৬৩ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণ করেন।

২০০৮ সাল থেকে ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি। সে সময় ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নতুন নীতিমালার আলোকে নিবন্ধন দেবে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্যবেক্ষক নিবন্ধনে কোনো দাবি-আপত্তি আসেনি : ইসি

আপডেট সময় : ১২:১৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছ ও অবাধ করতে ৭৩টি দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার ভোট পর্যবেক্ষণ নিবন্ধনে দাবি-আপত্তি আহ্বান জানানো হলেও ১৫ কার্যদিবসে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র এই তথ্য জানায়।

সূত্রটি আরও জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বর ৭৩ পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনে কারো দাবি-আপত্তি থাকলে তা জানতে ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা নিয়ে কেউ দাবি-আপত্তি জানায়নি। এতে এবার দাবি-আপত্তি শূন্য।

নির্বাচন কমিশনের সূত্রটি আরও জানান, দাবি-আপত্তি না থাকলেও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন কমিশন আমলে নিয়েছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যে ৭৩টি নিবন্ধনযোগ্য ছিল এর মধ্যে থেকে অনেক চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না।

এরআগে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা তো আর পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন দিয়ে দেয়নি। গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। আমাদের কাছে তথ্য আসলে আমরা সেসব পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেব না। আবার অনেক পর্যবেক্ষক সংস্থার যোগ্যতা থাকার পরও তাদের দিতে পারছি না কারণ তারা বিগত নির্বাচনগুলোতে সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ৭৩ নিবন্ধনযোগ্য পর্যবেক্ষক সংস্থার দাবি-আপত্তি আহ্বান করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর দাবি-আপত্তি নিয়ে শুনানি শেষে পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করবে ইসি।

এর আগে ২৭ জুলাই পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন আবেদন আহ্বান করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি। এক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল, যা শেষ হয়েছে গত রোববার (১০ আগস্ট)।

গত ১৭ জুলাই দেশীয় পর্যবেক্ষক নীতিমালা-২০২৫ জারি করা হয়। বাতিল করা হয় ২০২৩ সালের নীতিমালা। পাশাপাশি ওই সময়ের সংস্থাগুলোর নিবন্ধনও বাতিল হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৮ সাল থেকে ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক নিবন্ধন দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সে সময় ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল। ২০১৮ সালে ১১৮টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় ইসি। ২০২৩ সালে ৯৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়।

প্রতি সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশীয় সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানায় নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে নিবন্ধন পেয়ে সংস্থাগুলো পরবর্তী পাঁচ বছর স্থানীয় নির্বাচনও পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

গত সংসদ নির্বাচনে দেশীয় বিভিন্ন সংস্থার ২০ হাজার ৭৭৩ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের আবেদন করেন। ইসি কেন্দ্রীয়ভাবে ৪০টি পর্যবেক্ষক সংস্থার ৫১৭ জন এবং স্থানীয়ভাবে ৮৪টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ২০ হাজার ২৫৬ জনকে ভোট পর্যবেক্ষণের অনুমোদন দিয়েছিল।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওআইসি ও কমনওয়েলথ থেকে ৩৮ জন, বিভিন্ন মিশনের ৬৪ জন এবং বাংলাদেশস্থ বিভিন্ন দূতাবাসে বা হাইকমিশনে কর্মরত বাংলাদেশি ৬১ জনসহ মোট ১৬৩ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণ করেন।

২০০৮ সাল থেকে ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি। সে সময় ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নতুন নীতিমালার আলোকে নিবন্ধন দেবে সাংবিধানিক সংস্থাটি।