ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

ভার্জিনিয়া জিফ্রে নামে এক মার্কিন নারী তার লেখা একটি স্মৃতিকথায় গুরুতর অভিযোগ এনেছেন ইসরায়েলের সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। 

তিনি তার স্মৃতিকথায় এক অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ‘প্রধানমন্ত্রীর’ কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাম উল্লেখ না করায় পরিষ্কার ভাবে জানা যায়নি আদতে কার কথা বলতে চেয়েছেন ভার্জিনিয়া।

শিশু যৌনচক্রের মূল পান্ডা জেফ্রি এপস্টাইনের বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ এনেছিলেন ভার্জিনিয়া জিফ্রে নামে ওই নির্যাতিতা। চলতি বছরেই মৃত্যু হয় তার।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ভার্জিনিয়ার লেখা একটি স্মৃতিকথা। যাতে উঠে এসেছে তার আরও কিছু ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

বইটিতে ভার্জিনিয়া লিখে গিয়েছেন, কিশোরী অবস্থায় কোনও এক দেশের ক্ষমতাশালী ‘প্রধানমন্ত্রী’ তার উপর অকথ্য যৌন অত্যাচার চালিয়েছিলেন বহুবার।

নিয়মিত মারধর, ধর্ষণ করা হতো তাকে। অত্যাচারের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, তিনি এক সময়ে পালাতে বাধ্য হন ওই যৌনচক্র থেকে।

এর পাশাপাশি ব্রিটিশ পরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ এনেছিলেন ভার্জিনিয়া। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে শুক্রবার নিজের রাজ-উপাধি ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যান্ড্রু।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

ভার্জিনিয়া জিফ্রে নামে এক মার্কিন নারী তার লেখা একটি স্মৃতিকথায় গুরুতর অভিযোগ এনেছেন ইসরায়েলের সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। 

তিনি তার স্মৃতিকথায় এক অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ‘প্রধানমন্ত্রীর’ কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাম উল্লেখ না করায় পরিষ্কার ভাবে জানা যায়নি আদতে কার কথা বলতে চেয়েছেন ভার্জিনিয়া।

শিশু যৌনচক্রের মূল পান্ডা জেফ্রি এপস্টাইনের বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ এনেছিলেন ভার্জিনিয়া জিফ্রে নামে ওই নির্যাতিতা। চলতি বছরেই মৃত্যু হয় তার।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ভার্জিনিয়ার লেখা একটি স্মৃতিকথা। যাতে উঠে এসেছে তার আরও কিছু ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

বইটিতে ভার্জিনিয়া লিখে গিয়েছেন, কিশোরী অবস্থায় কোনও এক দেশের ক্ষমতাশালী ‘প্রধানমন্ত্রী’ তার উপর অকথ্য যৌন অত্যাচার চালিয়েছিলেন বহুবার।

নিয়মিত মারধর, ধর্ষণ করা হতো তাকে। অত্যাচারের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, তিনি এক সময়ে পালাতে বাধ্য হন ওই যৌনচক্র থেকে।

এর পাশাপাশি ব্রিটিশ পরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ এনেছিলেন ভার্জিনিয়া। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে শুক্রবার নিজের রাজ-উপাধি ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যান্ড্রু।