ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোয় নৌকাডুবিতে ১৯৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দুটি ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুটি ভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আরও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আল জাজিরাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে ইকুয়েটর প্রদেশের লুকোলেলা এলাকায় কঙ্গো নদীতে। যাত্রীবোঝাই একটি বড় নৌকায় (হোয়েলবোট) আগুন ধরে যায় এবং পরে সেটি ডুবে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় ১০৭ জন মারা গেছেন।

দেশটির মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ১৪৬ জন এখনও নিখোঁজ।

এর আগের দিন, বুধবার, একই প্রদেশের বাসানকুসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা ডুবে যায়। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী। নিখোঁজ যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী এবং রাতের অন্ধকারে নৌযান চালানোর কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, শোকাহত গ্রামবাসীরা নদীর তীরে মৃতদেহ জড়ো করে কান্নাকাটি করছেন।

দুটি দুর্ঘটনাস্থলেই নৌবাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের পাশে থাকা এবং জীবিতদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কঙ্গো সরকার। তবে স্থানীয় সিভিল সোসাইটি সংগঠন এই প্রাণহানির জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

কঙ্গোয় নৌকাডুবিতে ১৯৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

আপডেট সময় : ১১:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দুটি ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুটি ভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আরও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আল জাজিরাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে ইকুয়েটর প্রদেশের লুকোলেলা এলাকায় কঙ্গো নদীতে। যাত্রীবোঝাই একটি বড় নৌকায় (হোয়েলবোট) আগুন ধরে যায় এবং পরে সেটি ডুবে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় ১০৭ জন মারা গেছেন।

দেশটির মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ১৪৬ জন এখনও নিখোঁজ।

এর আগের দিন, বুধবার, একই প্রদেশের বাসানকুসু এলাকায় একটি মোটরচালিত নৌকা ডুবে যায়। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী। নিখোঁজ যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী এবং রাতের অন্ধকারে নৌযান চালানোর কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, শোকাহত গ্রামবাসীরা নদীর তীরে মৃতদেহ জড়ো করে কান্নাকাটি করছেন।

দুটি দুর্ঘটনাস্থলেই নৌবাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের পাশে থাকা এবং জীবিতদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কঙ্গো সরকার। তবে স্থানীয় সিভিল সোসাইটি সংগঠন এই প্রাণহানির জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।