ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

যুবদল নেতাকে থাপ্পড়ের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে যুবদল নেতা আমিনুল ইসলামকে থাপ্পড় মারার অভিযোগে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‍ঘটনাটি দুঃখজনক। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতেই অভিযুক্ত এসআই রাসেলকে প্রত্যাহার করে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম উত্তর চরপাড়ার মৃত মান্নানের দুই ছেলে মিঠু আকন্দ ও মিজু আকন্দের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গত সোমবার সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে মিঠু আকন্দ উপস্থিত ছিলেন না।

তিনি গতকাল মঙ্গলবার বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজির হন। ক্ষুব্দ স্থানীয় লোকজন এসময় পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে ফোন করে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত ভিপির উপস্থিতিতে থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) রুমে বৈঠক হয়। সেখানে এসআই রাসেল ও আমিনুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে আমিনুল ও এসআই রাসেলকে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়।

যুবদল নেতা আমিনুল বলেন, রুম থেকে বেরিয়ে আসার পর আরেকটি রুমে নিয়ে এসআই রাসেল আমাকে থাপ্পড় মারেন। আমি কানে শুনতে পাচ্ছি না। সিনিয়র নেতারা অনুমতি দিলে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করব।

এর আগে অভিযুক্ত এসআই রাসেল বলেছিলেন, জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমিনুল অভিযোগকারীদের পুলিশের সামনে মারধর করেন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়। ওসির নির্দেশে তাকে থানা হাজতে রাখা হয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। সেখানে তাকে মারধর করা হয়নি।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, যুবদল নেতা আমিনুল পুলিশের কাজে বাঁধা দিয়েছিলেন। তাকে থানায় ডেকে আনা হয়েছিল। পরে দায়িত্বর এসআইয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। নেতাদের ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুবদল নেতাকে থাপ্পড়ের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে যুবদল নেতা আমিনুল ইসলামকে থাপ্পড় মারার অভিযোগে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‍ঘটনাটি দুঃখজনক। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতেই অভিযুক্ত এসআই রাসেলকে প্রত্যাহার করে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম উত্তর চরপাড়ার মৃত মান্নানের দুই ছেলে মিঠু আকন্দ ও মিজু আকন্দের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গত সোমবার সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে মিঠু আকন্দ উপস্থিত ছিলেন না।

তিনি গতকাল মঙ্গলবার বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজির হন। ক্ষুব্দ স্থানীয় লোকজন এসময় পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে ফোন করে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত ভিপির উপস্থিতিতে থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) রুমে বৈঠক হয়। সেখানে এসআই রাসেল ও আমিনুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে আমিনুল ও এসআই রাসেলকে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়।

যুবদল নেতা আমিনুল বলেন, রুম থেকে বেরিয়ে আসার পর আরেকটি রুমে নিয়ে এসআই রাসেল আমাকে থাপ্পড় মারেন। আমি কানে শুনতে পাচ্ছি না। সিনিয়র নেতারা অনুমতি দিলে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করব।

এর আগে অভিযুক্ত এসআই রাসেল বলেছিলেন, জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমিনুল অভিযোগকারীদের পুলিশের সামনে মারধর করেন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়। ওসির নির্দেশে তাকে থানা হাজতে রাখা হয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। সেখানে তাকে মারধর করা হয়নি।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, যুবদল নেতা আমিনুল পুলিশের কাজে বাঁধা দিয়েছিলেন। তাকে থানায় ডেকে আনা হয়েছিল। পরে দায়িত্বর এসআইয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। নেতাদের ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।