ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করলেন বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ স্কুলের প্রতিনিধি দল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের চন্দ্রায় ইলেকট্রনিক্স খাতে দেশের সেরা ব্র্যান্ড ওয়ালটনের হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স অফিসার্স ট্রেইনিং স্কুলের (ওটিএস) ৩০ জন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। স্কুলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

সে সময় তারা ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও হাই-টেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন।

রবিবার সকালে (২৪ আগস্ট) উইং কমান্ডার মেহেরান আলীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে অফিসারদের জন্য ‘ওটিএস’ একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যা সব গ্রাউন্ড ব্রাঞ্চ কর্মকর্তাদের বেসিক প্রফেশনাল ট্রেনিং দেয়।

হেডকোয়ার্টার্স প্রাঙ্গণে পৌঁছে অতিথিরা প্রথমে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী এবং হেড অব অ্যাডমিন মেজর (অব.) জাহিদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর তারা ওয়ালটনের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের সুসজ্জিত ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন।পরে অতিথিরা দিনব্যাপী ওয়ালটনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজ, ভিআরএফ এয়ার কন্ডিশনার, মোল্ড অ্যান্ড ডাই পণ্যের ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে উইং কমান্ডার মেহেরান আলী বলেন, ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে এসে আমাদের দেশীয় ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা পেলাম, অভিজ্ঞতা লাভ করলাম। ওয়ালটনের এসি, ফ্রিজ ও মোল্ড অ্যান্ড ডাই প্রোডাকশন প্ল্যান্ট ঘুরে দেখার পর ওয়ালটন সম্পর্কে আমার আগের সব ধারণা পরিবর্তন হয়ে গেছে। বিভিন্ন উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করে ওয়ালটন যে অতি দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। তারা দেখিয়ে দিচ্ছে যে বাংলাদেশ কি পারে। এসব পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে তারা দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকলে ওয়ালটন বিশ্বের মধ্যে একটি সেরা ব্র্যান্ডে পরিণত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করলেন বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ স্কুলের প্রতিনিধি দল

আপডেট সময় : ০৫:২৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরের চন্দ্রায় ইলেকট্রনিক্স খাতে দেশের সেরা ব্র্যান্ড ওয়ালটনের হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স অফিসার্স ট্রেইনিং স্কুলের (ওটিএস) ৩০ জন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। স্কুলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

সে সময় তারা ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও হাই-টেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন।

রবিবার সকালে (২৪ আগস্ট) উইং কমান্ডার মেহেরান আলীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে অফিসারদের জন্য ‘ওটিএস’ একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যা সব গ্রাউন্ড ব্রাঞ্চ কর্মকর্তাদের বেসিক প্রফেশনাল ট্রেনিং দেয়।

হেডকোয়ার্টার্স প্রাঙ্গণে পৌঁছে অতিথিরা প্রথমে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী এবং হেড অব অ্যাডমিন মেজর (অব.) জাহিদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর তারা ওয়ালটনের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের সুসজ্জিত ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন।পরে অতিথিরা দিনব্যাপী ওয়ালটনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজ, ভিআরএফ এয়ার কন্ডিশনার, মোল্ড অ্যান্ড ডাই পণ্যের ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে উইং কমান্ডার মেহেরান আলী বলেন, ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে এসে আমাদের দেশীয় ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা পেলাম, অভিজ্ঞতা লাভ করলাম। ওয়ালটনের এসি, ফ্রিজ ও মোল্ড অ্যান্ড ডাই প্রোডাকশন প্ল্যান্ট ঘুরে দেখার পর ওয়ালটন সম্পর্কে আমার আগের সব ধারণা পরিবর্তন হয়ে গেছে। বিভিন্ন উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করে ওয়ালটন যে অতি দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। তারা দেখিয়ে দিচ্ছে যে বাংলাদেশ কি পারে। এসব পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে তারা দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকলে ওয়ালটন বিশ্বের মধ্যে একটি সেরা ব্র্যান্ডে পরিণত হবে।