ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পুলিশের কনস্টেবল উধাও! থানায় মামলা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে মো. সুমন হোসেন (২৬) নামের পুলিশের এক কনস্টেবল। গত চার দিন ধরে তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়া বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি গত সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর গ্রামের ঘটে।

সুমন হোসেন জীবননগর থানার রায়পুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সে যশোর সদর উপজেলার জগতনাথপুর গ্রামের ইউনুস খানের ছেলে।

ওই স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা জানান, কনস্টেবল সুমন হোসেন রায়পুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত থাকা অবস্থায় আমার স্কুল পড়ুয়া কন্যার সঙ্গে প্রেম ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে তোলে। সুমন হোসেনের বাড়িতে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আমার মেয়ের কাছে অবিবাহিত বলে সে সম্পর্কে করে। ঘটনাটি আমরা জানতে পেরে জীবননগর থানায় অভিযোগ করি। অভিযোগের পর তাকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আবার জামজামি পুলিশ ফাঁড়িতে বদলি হয়।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে তাকে আবার র‌্যাবে বদলি করা হলে সে সেখানে যোগদান না করে, গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে রাস্তা থেকে ফুসলিয়ে আমার মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পর সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি আমরা গোপনে নিষ্পত্তির চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল সুমনের বাড়িতেও তাদের কোনো খোঁজ না পেয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই ঘটনার চার দিন পর মামলা দিতে হয়েছে।

রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি নাবালিকা স্কুলছাত্রীর সঙ্গে হওয়ায় পারিবারিকভাবে গোপনে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল সুমন হোসেন ও স্কুল ছাত্রীর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাবা সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল সুমন হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জীবননগর থানার ওসি এসএম জাবীদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর কয়েক দিন ধরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত মামলা দিয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পুলিশের কনস্টেবল উধাও! থানায় মামলা

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে মো. সুমন হোসেন (২৬) নামের পুলিশের এক কনস্টেবল। গত চার দিন ধরে তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়া বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি গত সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর গ্রামের ঘটে।

সুমন হোসেন জীবননগর থানার রায়পুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সে যশোর সদর উপজেলার জগতনাথপুর গ্রামের ইউনুস খানের ছেলে।

ওই স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা জানান, কনস্টেবল সুমন হোসেন রায়পুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত থাকা অবস্থায় আমার স্কুল পড়ুয়া কন্যার সঙ্গে প্রেম ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে তোলে। সুমন হোসেনের বাড়িতে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আমার মেয়ের কাছে অবিবাহিত বলে সে সম্পর্কে করে। ঘটনাটি আমরা জানতে পেরে জীবননগর থানায় অভিযোগ করি। অভিযোগের পর তাকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আবার জামজামি পুলিশ ফাঁড়িতে বদলি হয়।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে তাকে আবার র‌্যাবে বদলি করা হলে সে সেখানে যোগদান না করে, গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে রাস্তা থেকে ফুসলিয়ে আমার মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পর সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি আমরা গোপনে নিষ্পত্তির চেষ্টা করি। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল সুমনের বাড়িতেও তাদের কোনো খোঁজ না পেয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই ঘটনার চার দিন পর মামলা দিতে হয়েছে।

রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি নাবালিকা স্কুলছাত্রীর সঙ্গে হওয়ায় পারিবারিকভাবে গোপনে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল সুমন হোসেন ও স্কুল ছাত্রীর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় স্কুল ছাত্রীর বাবা সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল সুমন হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জীবননগর থানার ওসি এসএম জাবীদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর কয়েক দিন ধরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত মামলা দিয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।