ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শক্তিশালী বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে কানাডা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।এসময় কানাডার হাইকমিশনার সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, তিনি দেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে তার দেশ বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত মর্মে প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন।

প্রধান বিচারপতি কানাডার হাইকমিশনারকে চব্বিশের জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধান বিচারপতি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

শক্তিশালী বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে কানাডা

আপডেট সময় : ১০:৫৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।এসময় কানাডার হাইকমিশনার সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, তিনি দেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে তার দেশ বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত মর্মে প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন।

প্রধান বিচারপতি কানাডার হাইকমিশনারকে চব্বিশের জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধান বিচারপতি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর রয়েছে।