ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৯ জুলাইকে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবি

স্বীকৃতির

মাদরাসাভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ আলেম সমাজ দাবি জানিয়েছেন—১৯ জুলাইকে ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে এবং গেজেট আকারে তা ঘোষণা করতে হবে।

শুক্রবার ( ৪জলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সংগঠিতভাবে রাজপথে নেমে আসে। কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা রাজপথে অবস্থান নিলেও ওইদিন ছিল একটি বিশেষ বাঁক। সেদিন শুধু অবস্থান নয়—সেটি ছিল প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক দিন।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্যমতে, ওইদিন সারাদেশে শতাধিক মানুষ শহীদ হন, যাদের মধ্যে কমপক্ষে ১০ জন মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী ও আলেম ছিলেন। আহতের সংখ্যা শত ছাড়িয়েছে, যাদের অনেকেই এখনো চিকিৎসাধীন। এই ত্যাগ, এই প্রতিবাদ—তাদের মতে, শুধুই রাজনৈতিক নয়; বরং একটি নৈতিক বিপ্লব, একটি মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বহিঃপ্রকাশ।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছেন—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যেকোনো দিবসকে ‘রেন্ডমলি’ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করলে সেই রক্তের মূল্যায়ন হবে না। তারা মনে করেন, ১৯ জুলাইর প্রতিরোধ ছিল গোটা প্রক্রিয়ার সবচেয়ে সুসংগঠিত ও সাহসী উদ্যোগ, যার মূল চালিকাশক্তি ছিলেন দেশের আলেম সমাজ ও মাদরাসা ছাত্ররা।

তাদের বক্তব্য—এই স্বীকৃতি শুধু একটি শ্রেণির সম্মান নয়; বরং জাতীয় ইতিহাসে সত্য, সাহস ও আত্মত্যাগের ন্যায্য স্বীকৃতি। সরকারের প্রতি তাদের আহ্বান—এই দিনটিকে গেজেটভুক্ত করে জাতীয়ভাবে স্মরণীয় করতে হবে।

সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ন্যায্য রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই আদর্শিক শক্তিগুলোর ত্যাগ ও ভূমিকা কোনোদিন ভুলে যাওয়া হবে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

১৯ জুলাইকে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবি

আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

স্বীকৃতির

মাদরাসাভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ আলেম সমাজ দাবি জানিয়েছেন—১৯ জুলাইকে ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে এবং গেজেট আকারে তা ঘোষণা করতে হবে।

শুক্রবার ( ৪জলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সংগঠিতভাবে রাজপথে নেমে আসে। কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা রাজপথে অবস্থান নিলেও ওইদিন ছিল একটি বিশেষ বাঁক। সেদিন শুধু অবস্থান নয়—সেটি ছিল প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক দিন।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্যমতে, ওইদিন সারাদেশে শতাধিক মানুষ শহীদ হন, যাদের মধ্যে কমপক্ষে ১০ জন মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী ও আলেম ছিলেন। আহতের সংখ্যা শত ছাড়িয়েছে, যাদের অনেকেই এখনো চিকিৎসাধীন। এই ত্যাগ, এই প্রতিবাদ—তাদের মতে, শুধুই রাজনৈতিক নয়; বরং একটি নৈতিক বিপ্লব, একটি মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বহিঃপ্রকাশ।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছেন—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যেকোনো দিবসকে ‘রেন্ডমলি’ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করলে সেই রক্তের মূল্যায়ন হবে না। তারা মনে করেন, ১৯ জুলাইর প্রতিরোধ ছিল গোটা প্রক্রিয়ার সবচেয়ে সুসংগঠিত ও সাহসী উদ্যোগ, যার মূল চালিকাশক্তি ছিলেন দেশের আলেম সমাজ ও মাদরাসা ছাত্ররা।

তাদের বক্তব্য—এই স্বীকৃতি শুধু একটি শ্রেণির সম্মান নয়; বরং জাতীয় ইতিহাসে সত্য, সাহস ও আত্মত্যাগের ন্যায্য স্বীকৃতি। সরকারের প্রতি তাদের আহ্বান—এই দিনটিকে গেজেটভুক্ত করে জাতীয়ভাবে স্মরণীয় করতে হবে।

সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ন্যায্য রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই আদর্শিক শক্তিগুলোর ত্যাগ ও ভূমিকা কোনোদিন ভুলে যাওয়া হবে না।