ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বান্দরবানে শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞাঁর নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

বান্দরবান সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞার নানা অপকর্ম ও শিক্ষকদের হয়রানীর প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ মার্চ) সকালে বান্দরবান শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের সাথে শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, একাডেমিক সুপারভাইজার ও কমিটির সাথে দ্বন্ধ লাগানো ছিল তার প্রধান কাজ। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে নিজের পছন্দের মানুষকে নির্বাচিত করেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি টাকা দাবী করেন এবং টাকা না দিলে নানা ভাবে হয়রানী করেন।

বক্তারা আরো বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেলা শিক্ষা অফিসের রেষ্টরুমে স্বপরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন ভাতা বন্ধ করে রেখেছেন তিনি। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ শিক্ষক সমাজ। এভাবে চলতে থাকলে পিছিয়ে পড়া পাহাড়ী জনপদে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বান্দরবান সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞাকে দ্রুত অপসারণের দাবী জানান বান্দরবান জেলায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও রেইছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহ্রী মার্মা, সাধারণ সম্পাদক হিতোষময় বড়–য়া, মো: ইমান আলী, সহসভাপতি তারেকুর রহমান, ডনবক্স উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপন কুমার দাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ সালে মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞার লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে পত্র পত্রিকায় নিউজ হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকরী কোন ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে দিনের পর দিন এ ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বান্দরবানে শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞাঁর নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

বান্দরবান সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞার নানা অপকর্ম ও শিক্ষকদের হয়রানীর প্রতিবাদ ও অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ মার্চ) সকালে বান্দরবান শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের সাথে শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, একাডেমিক সুপারভাইজার ও কমিটির সাথে দ্বন্ধ লাগানো ছিল তার প্রধান কাজ। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে নিজের পছন্দের মানুষকে নির্বাচিত করেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি টাকা দাবী করেন এবং টাকা না দিলে নানা ভাবে হয়রানী করেন।

বক্তারা আরো বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেলা শিক্ষা অফিসের রেষ্টরুমে স্বপরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন ভাতা বন্ধ করে রেখেছেন তিনি। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ শিক্ষক সমাজ। এভাবে চলতে থাকলে পিছিয়ে পড়া পাহাড়ী জনপদে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বান্দরবান সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞাকে দ্রুত অপসারণের দাবী জানান বান্দরবান জেলায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও রেইছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহ্রী মার্মা, সাধারণ সম্পাদক হিতোষময় বড়–য়া, মো: ইমান আলী, সহসভাপতি তারেকুর রহমান, ডনবক্স উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপন কুমার দাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ সালে মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞার লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে পত্র পত্রিকায় নিউজ হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকরী কোন ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে দিনের পর দিন এ ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছে।