ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিনেমার মতো স্মৃতিশক্তি হারিয়েছিলেন কাজল, কীভাবে ফিরে পান?

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

সিনেমায় নায়ক-নায়িকাকে স্মৃতি হারাতে দেখা যায়। বাস্তবে তা বিরল হলেও সিনেমার মতো স্মৃতিশক্তি বলিউড তারকা কাজলও হারিয়েছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন বিষয়টি।

কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবিতে শুটিংয়ের সময় স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যায় কাজলের। ছবির একটি গানের শুটিং চলছিল। শাহরুখ খানের সঙ্গে বাইসাইকেল চালানোর একটি দৃশ্যে অভিনয় করছিলেন কাজল।

হঠাৎ সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান নায়িকা। কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যায় তার স্মৃতিশক্তি। অবস্থা বেগতিক দেখে অজয় দেবগনকে ফোন করেন ছবির পরিচালক করণ জোহর। স্বামীর সঙ্গে কথা বলার পর স্মৃতি ফিরে আসে কাজলের।

‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমাটি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে মুক্তির পর। কাজল-শাহরুখের রসায়ন চোখে ও মনে লেগে আছে আজও অনেকের। এ জুটিকে শেষ দেখা যায় দিলওয়ালে সিনেমায়। ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ছবিটি। পরিচালক ছিলেন রোহিত শেঠি।

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী দেখতে ‘সুন্দর’ না হওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া যাবে?

সিনেমার মতো স্মৃতিশক্তি হারিয়েছিলেন কাজল, কীভাবে ফিরে পান?

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

সিনেমায় নায়ক-নায়িকাকে স্মৃতি হারাতে দেখা যায়। বাস্তবে তা বিরল হলেও সিনেমার মতো স্মৃতিশক্তি বলিউড তারকা কাজলও হারিয়েছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন বিষয়টি।

কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবিতে শুটিংয়ের সময় স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যায় কাজলের। ছবির একটি গানের শুটিং চলছিল। শাহরুখ খানের সঙ্গে বাইসাইকেল চালানোর একটি দৃশ্যে অভিনয় করছিলেন কাজল।

হঠাৎ সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান নায়িকা। কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যায় তার স্মৃতিশক্তি। অবস্থা বেগতিক দেখে অজয় দেবগনকে ফোন করেন ছবির পরিচালক করণ জোহর। স্বামীর সঙ্গে কথা বলার পর স্মৃতি ফিরে আসে কাজলের।

‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমাটি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে মুক্তির পর। কাজল-শাহরুখের রসায়ন চোখে ও মনে লেগে আছে আজও অনেকের। এ জুটিকে শেষ দেখা যায় দিলওয়ালে সিনেমায়। ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ছবিটি। পরিচালক ছিলেন রোহিত শেঠি।