বহুতল আদালতে হাজিরের সময় লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। এক পর্যায়ে পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক এই আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন- ‘ইতরামির একটা সীমা আছে, ফাইজলামি পেয়েছেন।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) জুলাই হত্যাকাণ্ডের একটি মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলার সময় এই ঘটনা ঘটে। এদিন কামরুল ইসলাম ছাড়াও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ৫ জনকে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মাথায় হেলমেট, হাতে হাতকড়া আর বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে সরাসরি আদালতে তোলা হয় তাদের। আদালতের এজলাসে লিফটে না তুলে সিঁড়ি দিয়ে হাঁটিয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের চার তলায় তোলা হয় তাদের।
এ সময় কামরুল ইসলাম পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আদালতের লিফট কি নষ্ট? এত উপরে সিঁড়ি দিয়ে হাঁটানো হচ্ছে কেন?
পরে তিনি রাগে চিৎকার করে বলেন, ইতরামির একটা সীমা আছে। ফাইজলামি পাইছেন? দুই তলায় বলে চার তলায় তুলছেন।
এ সময় আইনজীবীরা জানান, লিফট নষ্ট। পরে কামরুল ইসলামকে পুলিশ সদস্যরা হাতে ধরে উপরে উঠতে সহায়তা করেন।
এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারকী সাংবাদিকদের বলেন, লিফটের সামনে অনেক সময় বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ, আইনজীবীদের ভিড় থাকে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে, কোনো রকম ঝামেলা এড়াতে অনেক সময় সিঁড়ি দিয়ে তোলা হয়। আর আদালতে এলেই তিনি (কামরুল) পুলিশের সাথে ঝগড়া করেন। কখনো আইনজীবীদের সঙ্গে ঝগড়া বাধান। আবার কখনো উচ্চবাচ্য বক্তব্য দেন। এটা উনার স্বভাবজাত অভ্যাস।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আফতাফ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কামরুল ইসলাম একজন বৃদ্ধ মানুষ। আজ আদালতের দোতলায় শুনানির কথা ছিল। কিন্তু চার তলায় কোর্টে শুনানি হয়েছে। আসামিদের ভোগান্তি দেওয়ার জন্য সিঁড়ি দিয়ে তোলা হয়।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































