বাংলাদেশে গুমের ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন (দ্য কমিশন অব এনকোয়ারি অন এনফোর্সড ডিসাপিয়ারেন্স)। গত ১৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে দেওয়া অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এ বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে উঠে এসেছে। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে গুমের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের তদন্তের উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বিচার প্রক্রিয়া ন্যায় ও স্বচ্ছ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখ্য উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেলের কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশের একটি তদন্ত কমিশনের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। এই কমিশন বাংলাদেশে গুমের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এ বিষয়ে আপনার কোনো বক্তব্য আছে কী?
জবাবে প্যাটেল বলেন, গত দুই দশকে শত শত বাংলাদেশিকে গুম করার প্রতিবেদনগুলো নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গুম একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা ভুক্তভোগীদের ওপর অনির্দিষ্ট আটক বা নিখোঁজ হওয়ার ট্রমা চাপিয়ে দেয়। এটি তাদের পরিবারের ওপরও অনিশ্চয়তার ট্রমা সৃষ্টি করে।
তিনি আরো বলেন, আমরা এই অপরাধগুলোর তদন্তের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই এবং বিচারের জন্য ন্যায় ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া বজায় রাখার আহ্বান জানাই, যাতে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সুবিচার পেতে পারেন।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 





































