ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে মাদরাসার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা!

  • মো. নিজাম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৪৭০ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব করইতলা গ্রামের কাছিমুল উলুম নূরানী মাদরাসার সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস শহীদ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মাদরাসা কম্পাউন্ডের ভেতের থাকা জমির মালিকানা নিজের বলে দাবি করেন তিনি।
জানা গেছে, আব্দুস শহীদ পূর্বে ওই মাদ্রাসার সভাপতি ছিলেন। পরে স্বইচ্ছায় তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ান। যদিও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, নানান অনিয়মের সাথে জড়িত থাকায় তাকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই তিনি মাদরাসার দুই শতাংশ সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দফায় দফায় সালিশ বৈঠক হলেও কোন সমাধান মেলেনি। এরপর শুরু হয় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা। বর্তমানে একটি মামলা পিবিআই তদন্তে রয়েছে বলে জানায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২০১৩ সালে স্থানীয় মাহবুব মোরশেদ ও শহীদুল্লাহ গংদের কাছ থেকে মাদরাসার জমি ক্রয় করেন তারা। তখনও এই জমি নিয়ে আব্দুস শহীদের সাথে কোনো বিরোধ ছিলনা। কিন্তু সভাপতির পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পর আব্দুস শহীদ নানাভাবে মাদরাসা কমিটির লোকজনকে হয়রানি করে আসছে। মাদরাসার জমিকে তার জমি বলে দাবি করছে।
এ বিষয়ে আব্দুস শহীদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওদের ভয়ে আমি আমার পৈতৃক ভিটে বাড়িতে যেতে পারি না। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে মাদরাসার চারপাশে সীমানা দেওয়াল করেছি। উত্তর পাশ দিয়ে আমি রেখে দিয়েছি। সেখানে আমি আমার নিজ খরচে  মাদরাসার জন্য রান্না ঘর এবং শৌচাগার তৈরি করব। কিন্তু তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার কারণে আমি আমার সম্পদ বুঝে নিতে চাই। মাদরাসার কোন সম্পদ আমার প্রয়োজন নেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য সহকারে সালিশের মাধ্যমে মাদরাসার সম্পত্তি পরিমাপ করতে চাইলেও তারা তা মানেনি।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

লক্ষ্মীপুরে মাদরাসার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা!

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব করইতলা গ্রামের কাছিমুল উলুম নূরানী মাদরাসার সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস শহীদ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মাদরাসা কম্পাউন্ডের ভেতের থাকা জমির মালিকানা নিজের বলে দাবি করেন তিনি।
জানা গেছে, আব্দুস শহীদ পূর্বে ওই মাদ্রাসার সভাপতি ছিলেন। পরে স্বইচ্ছায় তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ান। যদিও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, নানান অনিয়মের সাথে জড়িত থাকায় তাকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই তিনি মাদরাসার দুই শতাংশ সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দফায় দফায় সালিশ বৈঠক হলেও কোন সমাধান মেলেনি। এরপর শুরু হয় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা। বর্তমানে একটি মামলা পিবিআই তদন্তে রয়েছে বলে জানায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২০১৩ সালে স্থানীয় মাহবুব মোরশেদ ও শহীদুল্লাহ গংদের কাছ থেকে মাদরাসার জমি ক্রয় করেন তারা। তখনও এই জমি নিয়ে আব্দুস শহীদের সাথে কোনো বিরোধ ছিলনা। কিন্তু সভাপতির পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পর আব্দুস শহীদ নানাভাবে মাদরাসা কমিটির লোকজনকে হয়রানি করে আসছে। মাদরাসার জমিকে তার জমি বলে দাবি করছে।
এ বিষয়ে আব্দুস শহীদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওদের ভয়ে আমি আমার পৈতৃক ভিটে বাড়িতে যেতে পারি না। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে মাদরাসার চারপাশে সীমানা দেওয়াল করেছি। উত্তর পাশ দিয়ে আমি রেখে দিয়েছি। সেখানে আমি আমার নিজ খরচে  মাদরাসার জন্য রান্না ঘর এবং শৌচাগার তৈরি করব। কিন্তু তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করার কারণে আমি আমার সম্পদ বুঝে নিতে চাই। মাদরাসার কোন সম্পদ আমার প্রয়োজন নেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য সহকারে সালিশের মাধ্যমে মাদরাসার সম্পত্তি পরিমাপ করতে চাইলেও তারা তা মানেনি।