ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আগুনে পুড়লো ৭ দোকান

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলার হাতিয়ার হরনি ইউনিয়নের চর ঘাসিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে জনতা বাজারের ৭টি দোকানে থাকা মূল্যবান মালামাল, নগদ অর্থ পুড়ে প্রায় ১৫লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চরঘাসিয়ার জনতা বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শীত থাকায় চরের ব্যবসায়ীরা রাত ৯টার দিকে দোকান-পাট বন্ধ করে যে যার বাড়িতে চলে যায়। রাত ৩টার দিকে জনতা বাজারের আশপাশের লোকজন বাজারের কয়েকটি দোকানে আগুন জ¦লতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ জড়ো হয়ে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের চেষ্টা কোনো কাজে আসেনি। মুহুর্ত্বের মধ্যে আগুনে বাজারের একটি ফার্মেসী, একটি মুদি ও বিভিন্ন মালামালের পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

 

স্থানীয় মো. সুজন নামের একজন বাসিন্দা জানান, এটি বিচ্ছিন্ন চর হওয়ায় যাতায়ত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ঘটনার পর পর বেশি মানুষ এগিয়ে আসতে না পারার কারনে আগুন নিয়ন্ত্রন করা যায়নি। চরে বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস কিছুই নেই। আগুনে যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে সরকারী সহযোগিতা ছাড়া চরের ব্যবসায়ীদের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আগুনে পুড়লো ৭ দোকান

আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলার হাতিয়ার হরনি ইউনিয়নের চর ঘাসিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে জনতা বাজারের ৭টি দোকানে থাকা মূল্যবান মালামাল, নগদ অর্থ পুড়ে প্রায় ১৫লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চরঘাসিয়ার জনতা বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শীত থাকায় চরের ব্যবসায়ীরা রাত ৯টার দিকে দোকান-পাট বন্ধ করে যে যার বাড়িতে চলে যায়। রাত ৩টার দিকে জনতা বাজারের আশপাশের লোকজন বাজারের কয়েকটি দোকানে আগুন জ¦লতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ জড়ো হয়ে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের চেষ্টা কোনো কাজে আসেনি। মুহুর্ত্বের মধ্যে আগুনে বাজারের একটি ফার্মেসী, একটি মুদি ও বিভিন্ন মালামালের পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

 

স্থানীয় মো. সুজন নামের একজন বাসিন্দা জানান, এটি বিচ্ছিন্ন চর হওয়ায় যাতায়ত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ঘটনার পর পর বেশি মানুষ এগিয়ে আসতে না পারার কারনে আগুন নিয়ন্ত্রন করা যায়নি। চরে বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস কিছুই নেই। আগুনে যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে সরকারী সহযোগিতা ছাড়া চরের ব্যবসায়ীদের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব না।