ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে যোগ করা উচিত: প্রেস সচিব

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের আমলে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। তাদের উন্নয়নের গল্পের পোস্টমর্টেমে ভয়াবহ চিত্র বেরিয়ে এসেছে। সেই চিত্র পাঠ্যবইয়ে যোগ করা উচিত। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম লুটপাটের বিষয়ে জানতে পারে।

রোববার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ, আমলা ও কিছু ব্যবসায়ী এই টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। পাচারকৃত সেই টাকা ফেরত আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সমাজের অনেকে লুটপাটের তথ্য জানার পরও চুপ ছিলেন।

গত ১৫ বছরে যা হয়েছে তার বিচার করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, পুরো দেশকে তারা লণ্ডভণ্ড অবস্থায় রেখে গেছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে, তা সবাই জানতে পারবে।

এ সময় অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা এই শ্বেতপত্রকে ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই শ্বেতপত্র নিয়ে ডিবেট ও আলোচনা হবে। এর মাধ্যমেই পুরো চিত্র উঠে আসবে।

এ সময় কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের সমালোচনাও করেন তিনি।

টাকা ছাপানো প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, পতনের ছয় মাস আগেও আওয়ামী লীগ ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছিল। এস আলমকে টাকা পাচারে সাহায্য করাই এর আসল উদ্দেশ্য ছিল। ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করতে বর্তমান সরকার ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাপিয়েছে। তাই এই টাকা ছাপানোয় মূল্যস্ফীতিতে খুব একটা প্রভাব পড়বে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

আওয়ামী লুটপাটের চিত্র পাঠ্যবইয়ে যোগ করা উচিত: প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ১২:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

আওয়ামী লীগের আমলে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। তাদের উন্নয়নের গল্পের পোস্টমর্টেমে ভয়াবহ চিত্র বেরিয়ে এসেছে। সেই চিত্র পাঠ্যবইয়ে যোগ করা উচিত। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম লুটপাটের বিষয়ে জানতে পারে।

রোববার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ, আমলা ও কিছু ব্যবসায়ী এই টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। পাচারকৃত সেই টাকা ফেরত আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সমাজের অনেকে লুটপাটের তথ্য জানার পরও চুপ ছিলেন।

গত ১৫ বছরে যা হয়েছে তার বিচার করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, পুরো দেশকে তারা লণ্ডভণ্ড অবস্থায় রেখে গেছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে, তা সবাই জানতে পারবে।

এ সময় অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা এই শ্বেতপত্রকে ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই শ্বেতপত্র নিয়ে ডিবেট ও আলোচনা হবে। এর মাধ্যমেই পুরো চিত্র উঠে আসবে।

এ সময় কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের সমালোচনাও করেন তিনি।

টাকা ছাপানো প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, পতনের ছয় মাস আগেও আওয়ামী লীগ ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছিল। এস আলমকে টাকা পাচারে সাহায্য করাই এর আসল উদ্দেশ্য ছিল। ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করতে বর্তমান সরকার ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাপিয়েছে। তাই এই টাকা ছাপানোয় মূল্যস্ফীতিতে খুব একটা প্রভাব পড়বে না।