ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও অভ্যুত্থান হবে: সারজিস

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারের দল আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ্রগহণ করবে কি-না এমন প্রশ্নে নিয়ে ফের শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি, এবং বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) বলেছে, সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তাই তারা ইতোমধ্যেই তাদের রায় দিয়েছে এবং আমরা দেশের একটি বড় দলের মতামতকে অস্বীকার করতে পারি না।
এ বক্তব্যের পরই শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম।
পোস্টে তিনি বলেন, গণহত্যার বিচারের পূর্বে আওয়ামী লীগকে কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দিব না। প্রয়োজনে ২য় অভ্যুত্থান হবে।
একই দিন বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ছেলেদের রক্তের ওপর পা রেখে দিল্লিকে কিবলা বানিয়ে ক্ষমতার মসনদে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মুক্তির নিয়তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।  আওয়ামী পুনর্বাসনের জন্য যারা উদ্যোগ নেবে, তাদেরকে ইতিহাস গণশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করবে। জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে যারা ধারণ করে,যারা গণমানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে চায়,তারা ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি ছাড়া আওয়ামী লীগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো দ্বিতীয় বক্তব্য দিতে পারে না।
অপর এক পোস্টে হ্যাশট্যাগ দিয়ে হাসনাত বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন। আমরা ইতোমধ্যেই শহিদ।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

আবারও অভ্যুত্থান হবে: সারজিস

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারের দল আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ্রগহণ করবে কি-না এমন প্রশ্নে নিয়ে ফের শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক দল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি, এবং বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) বলেছে, সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তাই তারা ইতোমধ্যেই তাদের রায় দিয়েছে এবং আমরা দেশের একটি বড় দলের মতামতকে অস্বীকার করতে পারি না।
এ বক্তব্যের পরই শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম।
পোস্টে তিনি বলেন, গণহত্যার বিচারের পূর্বে আওয়ামী লীগকে কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দিব না। প্রয়োজনে ২য় অভ্যুত্থান হবে।
একই দিন বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ছেলেদের রক্তের ওপর পা রেখে দিল্লিকে কিবলা বানিয়ে ক্ষমতার মসনদে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মুক্তির নিয়তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।  আওয়ামী পুনর্বাসনের জন্য যারা উদ্যোগ নেবে, তাদেরকে ইতিহাস গণশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করবে। জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে যারা ধারণ করে,যারা গণমানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে চায়,তারা ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি ছাড়া আওয়ামী লীগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো দ্বিতীয় বক্তব্য দিতে পারে না।
অপর এক পোস্টে হ্যাশট্যাগ দিয়ে হাসনাত বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন। আমরা ইতোমধ্যেই শহিদ।