ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওইদিন জনতার আক্রমণের শিকার হয় চট্টগ্রাম নগরসহ দেশের অধিকাংশ থানার পুলিশ। পরে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। তারপরও রুটিন ওয়ার্কের বাইরে কাজ করছিল না পুলিশ। বিশেষ করে মাদকের বিষয়ে একেবারে নির্বিকার ছিল পুলিশ। এ ধরনের অভিযান বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন ধরে।
তবে শেষমেশ মাদক উদ্ধারের অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। গত ৮ ও ৯ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের দুই থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার পিস ইয়াবা।
সিএমপি সূত্র জানায়, গত ৮ নভেম্বর দিবাগত রাতে বাকলিয়া থানার অ্যাক্সেস রোডের মুখ থেকে জামাল উদ্দিন (৪৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২ হাজার ৯৮৫ পিস ইয়াবা, একটি সুজুকি ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
এরপর গত ৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে চকবাজার থানার অলিখাঁ মসজিদ মোড় এলাকার মদিনা টাওয়ারে অবস্থিত হোটেল এভালন পার্কের ৫ম তলার ৫০৪ নম্বর কক্ষ থেকে পারভেছ উদ্দিনকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির ৩ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়।
চট্টগ্রাম নগরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কাজী তারেক আজিজ বলেন, গত দুই দিনে দুই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দায়ের করে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে নগর পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 


































