ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘তোমরা মারো না কেন, মারো’, সাদ্দামকে বলেছিলেন কাদের

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য উসকানি দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। আমিনুল ইসলাম বলেন, কাদের সাদ্দামকে বলেছিলেন- ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দেন কাদের। এছাড়া ওবায়দুল কাদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি আরও বলেন, ১১ জুলাই সাদ্দামকে বলা হয়—মারো না কেন, মারো। এরপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এ সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন। আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদের এটাও বলেছিলেন যে, এ আন্দোলন দমন করার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এ সমস্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এত বড় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সারা দেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেন। Advertisement Advertisement আরও দেখুন সারাদেশের খবর সরকারি সেবা খুঁজুন ক্রীড়া সংবাদ আওয়ামী লীগ ওবায়দুল কাদের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য উসকানি দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

আমিনুল ইসলাম বলেন, কাদের সাদ্দামকে বলেছিলেন- ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দেন কাদের।

এছাড়া ওবায়দুল কাদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি আরও বলেন, ১১ জুলাই সাদ্দামকে বলা হয়—মারো না কেন, মারো। এরপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এ সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদের এটাও বলেছিলেন যে, এ আন্দোলন দমন করার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এ সমস্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এত বড় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সারা দেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেন।

 

আওয়ামী লীগ   ওবায়দুল কাদের

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাউস অব লর্ডসের সদস্য হলেন লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খান

‘তোমরা মারো না কেন, মারো’, সাদ্দামকে বলেছিলেন কাদের

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য উসকানি দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

আমিনুল ইসলাম বলেন, কাদের সাদ্দামকে বলেছিলেন- ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দেন কাদের।

এছাড়া ওবায়দুল কাদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি আরও বলেন, ১১ জুলাই সাদ্দামকে বলা হয়—মারো না কেন, মারো। এরপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এ সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদের এটাও বলেছিলেন যে, এ আন্দোলন দমন করার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এ সমস্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এত বড় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সারা দেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেন।

 

আওয়ামী লীগ   ওবায়দুল কাদের