ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য গোপন ও প্রতারণা: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক রিট করে তথ্য গোপন ও আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অনীক আর হক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত।

শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি আদালতের কাছে তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপিত হয়। এর ভিত্তিতে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আদালত।

 

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহমেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব রিট করার সময় পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে, যার ফলে এ জরিমানার দণ্ড দেন আদালত।

 

রিট   সুপ্রিম কোর্ট

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

তথ্য গোপন ও প্রতারণা: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক রিট করে তথ্য গোপন ও আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অনীক আর হক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত।

শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি আদালতের কাছে তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপিত হয়। এর ভিত্তিতে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আদালত।

 

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহমেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব রিট করার সময় পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে, যার ফলে এ জরিমানার দণ্ড দেন আদালত।

 

রিট   সুপ্রিম কোর্ট