মন্ত্রী হওয়ার পর বুধবার প্রথম নির্বাচনি এলাকা ভোলায় এলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। বৃষ্টি ও বৈরী পরিবেশ উপেক্ষা করে হাজারও মানুষ পথে দাঁড়িয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তাকে। ভোলার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন তিনি।
আগামীর স্বপ্নপূরণের কথা শুনতে ছুটে এলেন নানা পেশার মানুষ। কেউ দলের, কেউ দলের বাইরের। তাদের উদ্দেশ্যে পথসভায় মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কাজ করার সময় বিরোধী দলকেও সম্পৃক্ত করা হবে। কাউকে বাদ দেওয়া হবে না। ভোলার উন্নয়নের ব্যাপারে সবাই একসঙ্গে থাকবেন। আর কোনো কাটাকাটি মারামারি হবে না। আর কোনো চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি হবে না। জিআর, টিআর, কাবিখা সব কাজের দায়িত্বে থাকবে জনগণ। আপনারা খুঁজে খুঁজে দেখবেন, যে সঠিকভাবে কাজ করবে না, সে আমার লোক হবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে আমাকে ভোট দেননি, এখন আপনি সহযোগিতা করলে আমি আপনাদের জন্য কাজ করতে পারব। গত ৬ মাসে আমার নামে কোনো অভিযোগ কেউ আনতে পারেননি। আমি আপনাদের (জনগণকে) কথা দিচ্ছি, চোর-সন্ত্রাসী আমার দলের না।
এদিকে বক্তব্যের শুরুতে তিনি দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ সমস্যা প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করে দিয়ে গেছে। ভিত ভেঙে দিয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন, সেখান থেকে আমাদের উঠে আসতে হচ্ছে।
ভোলা-বরিশাল সেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সেতুর জন্য জেলার প্রত্যেকটি মানুষ আন্দোলন করেছেন, সেটার জন্য আমরা সবাই কাজ করে গেছি, সরকার সেটাও দেখছে। বিকল্প হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ, শরীয়তপুর হয়ে ঢাকায় যেতে ৪০ মিনিট সময় কমে যাবে, সরকার সেটাও বিবেচনা করছে।
এছাড়া তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ভোলায় মেডিকেল কলেজ করার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সেটিও হবে। নদী ভাঙন রোধ, রাস্তাঘাট উন্নয়ন সব কাজের জন্য বরাদ্দের বিষয়ও তুলে ধরেন তিনি।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, সরকার কাজ করছে। আমরা সরকারের সঙ্গে আছি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেটি ভালো হবে তাই করা হবে।
এছাড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভা ও নিজ গ্রামে পিতার কবর জিয়ারতসহ স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। মন্ত্রী হওয়ার পর দুই দিনের সফরে ভোলায় আসেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মন্ত্রী পার্থ।
এদিকে ভোলায় প্রবেশকালেই তাকে শুভেচ্ছা জানান- জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওসার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউর রহমান কিরণ, সাবেক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) জেলা কমিটির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও পেশার প্রতিনিধিরা।
Tareq Jamil 






































