ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি, বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা

কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় এটিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

রোববার সংস্থাটি জানায়, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কারণে আক্রান্ত দুই দেশের পাশাপাশি আশপাশের দেশগুলোও উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশের অন্তত তিনটি এলাকায় এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ৮ জনসহ মোট ২৪৬ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণের সন্দেহ পাওয়া গেছে। সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে, তাতে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এবারের প্রাদুর্ভাব ব্যতিক্রমী, কারণ এটি ইবোলা ভাইরাসের বুন্দিবুগিও ধরন দ্বারা ছড়াচ্ছে। সাধারণ ইবোলা-জাইর ধরনের জন্য টিকা ও চিকিৎসা থাকলেও এই ধরনটির জন্য এখনো কার্যকর কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। কঙ্গো থেকে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় যাওয়া দুই ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। এছাড়া কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসাতেও একজন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আক্রান্ত দেশ ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা, আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সীমিত করা এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে সংস্থাটি সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, এতে মানুষ গোপন পথে যাতায়াত করতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি, বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আপডেট সময় : ০১:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় এটিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

রোববার সংস্থাটি জানায়, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কারণে আক্রান্ত দুই দেশের পাশাপাশি আশপাশের দেশগুলোও উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশের অন্তত তিনটি এলাকায় এখন পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ৮ জনসহ মোট ২৪৬ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণের সন্দেহ পাওয়া গেছে। সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে, তাতে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এবারের প্রাদুর্ভাব ব্যতিক্রমী, কারণ এটি ইবোলা ভাইরাসের বুন্দিবুগিও ধরন দ্বারা ছড়াচ্ছে। সাধারণ ইবোলা-জাইর ধরনের জন্য টিকা ও চিকিৎসা থাকলেও এই ধরনটির জন্য এখনো কার্যকর কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। কঙ্গো থেকে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় যাওয়া দুই ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। এছাড়া কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসাতেও একজন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আক্রান্ত দেশ ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা, আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সীমিত করা এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে সংস্থাটি সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, এতে মানুষ গোপন পথে যাতায়াত করতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স