ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওপেক ছাড়ার পেছনে আমিরাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপরই আবুধাবি তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত সামরিক জোট গঠনের চেষ্টা শুরু করে।

সূত্রের বরাতে ব্লুমবার্গ জানায়, ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ একাধিক আঞ্চলিক নেতার সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানের প্রস্তাব বেশিরভাগ দেশই প্রত্যাখ্যান করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মতপার্থক্যের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এর প্রভাব হিসেবে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন বিভাজন দেখা দেয়।

সূত্র আরও দাবি করে, সৌদি আরব গত মার্চে ইরানে হামলা চালালেও পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে আসে। এদিকে কাতারও ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা বিবেচনা করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউএইর নেতৃত্বে এই সামরিক জোট গঠনের ব্যর্থতা মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ভারসাম্যে নতুন জটিলতা তৈরি করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ওপেক ছাড়ার পেছনে আমিরাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

আপডেট সময় : ০১:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপরই আবুধাবি তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত সামরিক জোট গঠনের চেষ্টা শুরু করে।

সূত্রের বরাতে ব্লুমবার্গ জানায়, ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ একাধিক আঞ্চলিক নেতার সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানের প্রস্তাব বেশিরভাগ দেশই প্রত্যাখ্যান করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মতপার্থক্যের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এর প্রভাব হিসেবে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন বিভাজন দেখা দেয়।

সূত্র আরও দাবি করে, সৌদি আরব গত মার্চে ইরানে হামলা চালালেও পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে আসে। এদিকে কাতারও ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা বিবেচনা করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউএইর নেতৃত্বে এই সামরিক জোট গঠনের ব্যর্থতা মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ভারসাম্যে নতুন জটিলতা তৈরি করেছে।