ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সাধারণ শ্রমিকরা। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে এই মহাসড়ক অবরোধ করেন মোটর শ্রমিকরা।

আন্দোলনকারী মোটর শ্রমিকরা জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর দেশের সকল পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেই সময় রংপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটিও বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে নির্বাচিত কোসো কমিটি না থাকায় প্রায় দুই বছর ধরে ইউনিয়নের একটি প্রভাবশালী মহল সন্ত্রাসী কায়দায় চাঁদাবাজি করে আসছে এবং সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভার মাধ্যমে নির্বাচনে সময় ও তারিখ ঘোষণা দেওয়ার আহবান জানান শ্রমিকরা।

এদিকে, মহাসড়ক অবরোধের পরপরই রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা ঘটনাস্থলে যান এবং শ্রমিকদের অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে পুলিশের অনুরোধে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ জানান।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তি জানান, মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পরে শ্রমিকদের অনুরোধ করি। মোটর শ্রমিকরা আমাদের অনুরোধে অবরোধ তুলে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, একই দাবিতে ৩ মে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। সেদিনের সেই কর্মসূচি থেকে মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মোটরশ্রমিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে বাংলাদেশের মুক্তি

রংপুরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ১২:২৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

রংপুরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সাধারণ শ্রমিকরা। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে এই মহাসড়ক অবরোধ করেন মোটর শ্রমিকরা।

আন্দোলনকারী মোটর শ্রমিকরা জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর দেশের সকল পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেই সময় রংপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটিও বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে নির্বাচিত কোসো কমিটি না থাকায় প্রায় দুই বছর ধরে ইউনিয়নের একটি প্রভাবশালী মহল সন্ত্রাসী কায়দায় চাঁদাবাজি করে আসছে এবং সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভার মাধ্যমে নির্বাচনে সময় ও তারিখ ঘোষণা দেওয়ার আহবান জানান শ্রমিকরা।

এদিকে, মহাসড়ক অবরোধের পরপরই রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা ঘটনাস্থলে যান এবং শ্রমিকদের অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে পুলিশের অনুরোধে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ জানান।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তি জানান, মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পরে শ্রমিকদের অনুরোধ করি। মোটর শ্রমিকরা আমাদের অনুরোধে অবরোধ তুলে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, একই দাবিতে ৩ মে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। সেদিনের সেই কর্মসূচি থেকে মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মোটরশ্রমিকরা।