ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীর্ণতা পেছনে ফেলে সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাণীতে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের এক আলোকিত ও আনন্দময় উৎসব। এই উৎসবে বৈরিতা ও দ্বন্দ্ব থাকবে না; প্রাণ-প্রাচুর্যে সবার হৃদয় ভরে উঠবে। এ উৎসব সংহতিরও প্রতীক।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে দেওয়া বাণীতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সামগ্রিক সত্তাকে ধারণ করে। বৈশাখের উষালগ্ন থেকেই এ উৎসব মনকে প্রশান্ত করে তোলে। নববর্ষের প্রথম প্রহরে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পহেলা বৈশাখ থেকেই নতুন বছরকে বরণ করার আকুলতা শুরু হয়। নতুন বছর মানে অতীতের ব্যর্থতা ও জীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও কর্মপ্রবাহে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ।

তিনি বলেন, গত বছরের নানা ঘটনা ও দুর্ঘটনার অভিঘাত পেরিয়ে দেশে শান্তি, স্বস্তি, সুস্থতা ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুন বছর আদর্শ জীবন ও উন্নত সংস্কৃতির তাগিদ দেয়। মানুষে মানুষে বিভাজন দূর করে পহেলা বৈশাখ পারস্পরিক শুভেচ্ছায় ভরে উঠবে।

বাণীতে তিনি বলেন, ইতিহাসে বাঙালির স্বাতন্ত্র্যবোধ সুস্পষ্ট। ধর্ম, লোকাচার, রাজনীতি ও সাহিত্য-সংস্কৃতিতে এ স্বাতন্ত্র্যের প্রতিফলন রয়েছে। প্রতিটি উৎসবের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে মানুষের মিলন, যা বিভিন্ন সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীকে সংযুক্ত করে।

তিনি আরও বলেন, ১৪৩৩ বাংলা সনের প্রথম দিনে মহান আল্লাহর কাছে দেশের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। নববর্ষের এই নতুন সকালে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করি।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন বাণীটি গণমাধ্যমে পাঠান। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব উপলক্ষে দেওয়া আরেকটি বাণীও পাঠানো হয়।

নৃগোষ্ঠীর উৎসব জাতীয় সংস্কৃতির অংশ

আলাদা বাণীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীসহ সব সম্প্রদায় বাংলাদেশের সমন্বিত জাতিসত্তার অংশ।

তিনি বলেন, বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহুসহ বিভিন্ন উৎসব নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এসব উৎসবের বৈচিত্র্য জাতীয় ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ দেশের সংস্কৃতির মূলভিত্তি, যা যুগ যুগ ধরে লালিত হয়ে আসছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের সব নৃগোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি ও বিকাশ কামনা করি। বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন সফল হোক এবং সবার জীবন আনন্দময় হয়ে উঠুক—এই প্রত্যাশা তাঁর।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

জীর্ণতা পেছনে ফেলে সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাণীতে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের এক আলোকিত ও আনন্দময় উৎসব। এই উৎসবে বৈরিতা ও দ্বন্দ্ব থাকবে না; প্রাণ-প্রাচুর্যে সবার হৃদয় ভরে উঠবে। এ উৎসব সংহতিরও প্রতীক।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে দেওয়া বাণীতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সামগ্রিক সত্তাকে ধারণ করে। বৈশাখের উষালগ্ন থেকেই এ উৎসব মনকে প্রশান্ত করে তোলে। নববর্ষের প্রথম প্রহরে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পহেলা বৈশাখ থেকেই নতুন বছরকে বরণ করার আকুলতা শুরু হয়। নতুন বছর মানে অতীতের ব্যর্থতা ও জীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও কর্মপ্রবাহে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ।

তিনি বলেন, গত বছরের নানা ঘটনা ও দুর্ঘটনার অভিঘাত পেরিয়ে দেশে শান্তি, স্বস্তি, সুস্থতা ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুন বছর আদর্শ জীবন ও উন্নত সংস্কৃতির তাগিদ দেয়। মানুষে মানুষে বিভাজন দূর করে পহেলা বৈশাখ পারস্পরিক শুভেচ্ছায় ভরে উঠবে।

বাণীতে তিনি বলেন, ইতিহাসে বাঙালির স্বাতন্ত্র্যবোধ সুস্পষ্ট। ধর্ম, লোকাচার, রাজনীতি ও সাহিত্য-সংস্কৃতিতে এ স্বাতন্ত্র্যের প্রতিফলন রয়েছে। প্রতিটি উৎসবের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে মানুষের মিলন, যা বিভিন্ন সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীকে সংযুক্ত করে।

তিনি আরও বলেন, ১৪৩৩ বাংলা সনের প্রথম দিনে মহান আল্লাহর কাছে দেশের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। নববর্ষের এই নতুন সকালে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করি।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন বাণীটি গণমাধ্যমে পাঠান। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব উপলক্ষে দেওয়া আরেকটি বাণীও পাঠানো হয়।

নৃগোষ্ঠীর উৎসব জাতীয় সংস্কৃতির অংশ

আলাদা বাণীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীসহ সব সম্প্রদায় বাংলাদেশের সমন্বিত জাতিসত্তার অংশ।

তিনি বলেন, বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহুসহ বিভিন্ন উৎসব নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এসব উৎসবের বৈচিত্র্য জাতীয় ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ দেশের সংস্কৃতির মূলভিত্তি, যা যুগ যুগ ধরে লালিত হয়ে আসছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের সব নৃগোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি ও বিকাশ কামনা করি। বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন সফল হোক এবং সবার জীবন আনন্দময় হয়ে উঠুক—এই প্রত্যাশা তাঁর।