এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবদুল কাদেরকে (৪৫) স্থানীয় লোকজন আটক করে বেঁধে রাখলেও সেখান থেকে পালিয়ে যায় সে। পুলিশ ঘটনায় ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করেছে। তার মৃতদেহ কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরমার্টিন গ্রামের কাশেম মেম্বারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল ওই এলাকার চৌধুরী সর্দার বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে। সে পেশায় ইটভাটা শ্রমিক
অভিযুক্ত কাশেম পেশায় জেলে নৌকার মাঝি।
স্থানীয় লোকজন জানায়, অভিযুক্ত আবুল কাশেম পাশ্ববর্তী চর কালকিনি ইউনিয়নের বাসিন্দা। সম্প্রতি নিহত জুয়েলদের বাড়ির পাশে বসতি গড়ে তোলেন তিনি। কাশেম প্রতিদিন দুপুরে জুয়েলদের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যান৷ কিন্তু একই সময়ে বাড়ির নারীরাও ওই পুকুরে গোসল করেন। নারীদের নিরাপত্তার জন্য জুয়েল প্রতিবেশী কাদের মাঝিকে ওই পুকুরে গোসল করতে নিষেধ করেন৷ এ নিয়ে জুয়েলের সাথে কাদেরে ঝগড়া হয়।
মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে জুয়েল বাড়ির পাশের দোকানে যান। সেখানে আবদুল কাদের একটি চাকু নিয়ে এসে জুয়েলকে চুরিকাঘাত করে। স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পরে এরে স্থানীয় কাশেম মেম্বারের ছেলে রফিকের সহায়তায় সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
জুয়েলের চাচাতো ভাই মো. আরিফ বলেন, অভিযুক্ত আবদুল কাদের মাঝি ধারালো চাকু দিয়ে জুয়েলের পেটের বাম পাশে ও গালে আঘাত করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তোহিদুল ইসলাম বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে জুয়েল নামে একজনকে চুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত আবদুল কাদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মোঃ নিজাম উদ্দিন 





































